গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা : হজ্ব এজেন্সি তাকওয়া অতিথি ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস এর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগ করেছেন তাদেরই নিয়োগকৃত সেলস এক্সিকিউটিভ শহিদুল ইসলাম।
শহীদুল ইসলামের অভিযোগে জানা গেছে, তাকওয়া হজ্ব এজেন্সিতে তিনি সেলস এক্সকিউটিভ হিসেবে কাজ করেন। সেই হিসেবে তিনি হজ্ব ও ওমরা হজ্বের জন্য হাজী সংগ্রহ করে দেন। কিন্তু ওই হজ্ব এজেন্সি তার সাথে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। গত ৩ মার্চ ওমরা হজ্বের জন্য তিনিসহ মোট ২৬ জন হাজী সরবরাহ করেন। প্রত্যেক হাজীর বিপরীতে ১ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা করে ২৬ জনের সমুদয় টাকা পরিশোধ করেন। কিন্তু হাজী ক্যাম্পে অবস্থানের পর ৩ মার্চ বিমান বন্দরে গিয়ে বিমান উঠার আগ মুহূর্তে ২৫ জনের টিকেট দেয়। ২৬টির মধ্যে ২৫টি টিকেট দেয়ায় শহিদুল ইসলাম নিজে বিমানবন্দর থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হন। এতে করে অন্য হাজীরা ও হজ্বে যেতে অস্বস্তিতে পড়ে। যেহেতু শহিদুল ইসলাম হাজী সংগ্রহ করেছেন সেহেতু সকল হাজীই তার কাছের মানুষ। এজন্য শহীদুল ইসলামকে ছেড়ে যেতে তারা অস্বস্তিতে পড়ে। কিন্তু তাৎক্ষণিক কোন উপায় না পেয়ে হাজীরা মনোকষ্ট নিয়ে মক্কায় যান। শহীদুল ইসলাম বলেন, তারা টাকা জমা নিয়ে তিনিসহ ২৬ জনের তালিকা দিয়েছেন এবং ২৬ জনকেই হাজী ক্যাম্পে অবস্থানের পর বিমান বন্দর পর্যন্ত নিয়ে গেছেন। কিন্তু বিমানে উঠার পূর্ব মুহূর্তে ২৬ জনের স্থলে ২৫ জনের টিকিট দিয়ে হজ্ব এজেন্সি তার সাথে প্রতারণা সহ অর্থ আত্মসাৎ করেছে। এতে করে তার মানসম্মানের ক্ষতিসহ আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। শুধু তাই নয় ২২ সালে তার সরবরাহকৃত ১৭ জন হাজীর প্রাক নিবন্ধন করা হলেও তাদেরকে হজ্বে নিয়ে যাওয়া হয়নি। অথচ প্রত্যেকের নিকট থেকে তাকওয়া হজ্ব এজেন্সি টাকা নিলেও এখন তারা টাকা ফেরত দিচ্ছে না। শহিদুল ইসলাম তাকওয়া হজ্ব এজেন্সির বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে তাকওয়া অতিথি ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস এর ম্যানেজারের সাথে প্রতারণা, টাকা আত্মসাৎসহ অন্যান্য অভিযোগের বিষয়ে কথা বললে তিনি সব অস্বীকার করে বলেন, শহীদুল ইসলামের আনীত অভিযোগ সত্য নয়। বরং এজেন্সি শহীদুলের নিকট থেকে টাকা পায় যার বিভিন্ন প্রমাণ ও রেকর্ডপত্র তাদের হাতে রয়েছে।