পরিবার ও দলীয় নেতাকর্মীদের আপত্তির মুখে মুন্সীগঞ্জ সদরে জুলাই আন্দোলনে নিহত ছাত্রদল নেতা শাহরিক চৌধুরী মানিকের লাশ কবর থেকে উত্তোলন না হয়নি। লাশ উত্তোলন না করেই ফিরে গেছেন ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে সদরের মিরকাদিম পৌরসভার রামগোপলপুর এলাকার পারিবারিক কবরস্থানে নিহত ছাত্রদল নেতার লাশ উত্তোলনে আসলে ফিরে যান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হামিদুল ইসলাম ও হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম। নিহত শাহরিক চৌধুরী মানিক মিরকাদিম পৌরসভার রামগোপালপুর এলাকার আনিস চৌধুরীর ছেলে। ৫ আগস্ ঢাকার চানখারপুল এলাকায় গুলিতে মারা যান তিনি।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হামিদুল ইসলাম জানান, শাহরিক হত্যার ঘটনায় ১০ অক্টোবার শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন রাজু আহমেদ নামে এক ব্যক্তি। ময়নাতদন্ত না করেই তার লাশ দাফন করা হয়েছে। এতে আদালত ময়নাতদন্তের জন্য শাহরিকের লাশ উত্তোলনের নির্দেশ দেন। তবে স্বজনদের আপত্তি ও দলীয় নেতাকর্মীদের উত্তেজনা থাকায় লাশ উত্তোলন না করেই ফিরে যাচ্ছেন তারা।
এদিকে, জুলাই আন্দোলনে শহীদ শাহরিকের জন্য ন্যায়বিচার চায় পরিবার ও দলীয় নেতাকর্মীরা। তাই ৭ মাস পরে এসে মরদেহ উত্তোলন না করে মোবাইল ফুটেজ ও অন্যান্য আলামত দেখে বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার দাবি তাদের। নিহতের বাবা আনিস চৌধুরী বলেন, আমার ছেলে হত্যার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন মিরকাদিম পৌরসভার সাবেক মেয়র শহীদুল ইসলাম শাহীন। কাজেই প্রকৃত আসামীদের এ মামলায় আনা হোক। তিনি আরো বলেন, আমার ছেলে হত্যার ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।