তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : সিরাজগঞ্জের তাড়াশে কৃষকের লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে তাড়াশ উপজেলা কৃষ্ণপুর গ্রামে। জানা যায় গত ১০.মার্চ কৃষক রইস উদ্দিন সকালে নিজ বাড়ী থেকে জমিতে সেচ দিতে গিয়ে আর আসে নাই। বাড়ীর লোকজন খোজ খবর করতে গিয়ে জমিতে মৃত লাশ দেখতে পান। থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জের মর্গে প্রেরন করেন। মরহুমের ছেলে সিয়াম জানান,আমার পিতা কে পুর্ব শত্রতার জেরে হত্যা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তাড়াশ থানায় পুর্বেই আমার পিতা অভিযোগ দায়ের করেছেন। এলাকাবাসিরা জানান দীর্ঘদিন ধরে তার ভাইদের সাথে বিভিন্ন সময় ঝগড়া লেগে আসছিল তার ছোট ভাই মোঃ মজনু পিতা মোহাম্মদ আলী সহ মোতালেব ও আব্দুল লতিফ বিভিন্ন সময় তাকে হুমকি দিয়ে আসছে গত বুধবার দিন তাদের একটা পুকুর থেকে মাছ মারতেছিল এমন সময় রইস উদ্দিন তাদের তিন ভাইকে বলে এবং মাছের দাবী করলে তারা ভাইস্তা নিয়ে এলোপাথাড়ি তার ওপর মারপিট শুরু করে এমত অবস্থায় লোকজন ঝগড়া মারামারি ঠেকানোর পরে এবং তার ছোট ভাই মজনু ওই সময় পুলিশের সামনে হুমকি দেয় তোকে এক সপ্তাহের মধ্যে মেরে ফেলবো তা হুমকি দেওয়ার দুইদিন পরে শুক্রবারের দিন দুপুর বারোটা ৪৫ মিনিটে ভিকটিম খুনি মোঃ মজনু বারোটার সময় মোটরের কাছে যায় এবং দুপুর একটার সময় মোঃ মজনু পিতা মোহাম্মদ আলী সে চড়ার ভিতর থেকে আসে এবং তাকে বিভৎস টেনশন যুক্ত দেখা যায় এটা দেখেছে তার ভাস্তি মুসলমান নাজমা একটার সময় রইস উদ্দিন বাড়িতে না আসায় তার স্ত্রী আর ছেলেকে তার বাবার খুজে পাঠায় মেশিন ঘরে গিয়ে দেখে তার বাবা পড়ে আছে এবং মানিব্যাগ গুলো ফাঁকে ছড়ানো ছিটানো অবস্থায় পড়েছিল টাকাগুলো। এমত অবস্থায় তার সন্তান মোঃ সিয়াম তাকে বাবা বাবা বলে চিৎকার করে জড়িয়ে ধরে ওই সময় লাইনে বিদ্যুৎ ছিল কিন্তু তার ছেলের কোন ক্ষতি হয়নি এবং সাপমারছি মটর হওয়ার কারণে বিদ্যুতের কোন তার এলোমেলো ছিলনা এবং তার হাতের কবজার নিচে অল্প একটু পোড়ার দাগ পিঠের উপর হালকা একটু পোড়ার দাগ এবং পায়ের নিচে একটু পরার দাগ কিন্তু হাতের তালুতে বা আঙ্গুলে কোন পোড়ার দাগ নেই ১০০% নিশ্চিত তাকে গলা টিপে মেরে কারেন্টে শট দিয়ে রেখেছে এ বিষয়ে রইছ উদ্দিন হুমকি দেওয়ার পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। লাশ ময়নাতদন্তের শেষে দাফন করা হয়েছে। এব্যাপারে তাড়াশ থানা অফিসার ইনচাজ হাবিবুর রহমান বলেছেন ময়না তদন্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত কোন মামলা নেওয়া হবে না।