সখিপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা : টাঙ্গাইলের সখিপুর পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের শতবর্ষী আঃ করিমকে ভোট দিতে দেয়নি তার ছেলেরা। দৈনিক সংগ্রাম সখিপুর সংবাদদাতাকে আঃ করিম জানান, আমার সারা জীবন কেটেছে আওয়ামীলীগ করে। যখন বুঝতে পারলাম প্রকৃত ইসলামী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তখন সিদ্ধান্ত নিলাম জীবনের শেষ ভোটটা জামায়াতের দাড়িপাল্লা মার্কায় দিবো। আমার দুটি ছেলেকে বার বার বললাম, আমার জন্য একটা অটো ভ্যান কিংবা অন্য কোন একটা যানবাহনের ব্যবস্থা করতে। কিন্তু সারাদিন অপেক্ষা করেও সেটা করতে পারিনি এবং ছেলেরা আমাকে কোন সাহায্য করেনি । ফলে আমার ভোট দেওয়া হয়নি। তিনি আরো বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধাদের টাকার বস্তা পাহারা দিয়েছি, কখনো টাকা কিংবা ভাতার লোভ করিনি। তখন থেকে শুধু শুনেছি জামায়াত সম্পর্কে খারাপ কথা, পোষণ করেছি ভ্রান্ত ধারণা। কিন্তু সারা জীবনে দেখলাম না জামায়াতের কোন খারাপ আচরণ। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, মৃত্যুর আগে জামায়াতে ভোট দিব, কিন্তু তা আর হলো না। ভোটের দুদিন পর কান্না বিজড়িত কণ্ঠে বৃদ্ধ আঃ করিম কথাগুলো বললেন। এছাড়াও টাঙ্গাইল-০৮ (সখিপুর-বাসাইল) এর এম.পি এ্যাডঃ আহমেদ আযম খান বিজয়োৎসব করেছেন পক্ষান্তরে মানুষের বাড়িতে হামলা হচ্ছে সেদিকে কোন খেয়াল নেই। তাছাড়া নির্বাচনী আচরণ বিধি ২০২৫ এর ১৯ ধারা মোতাবেক ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তিনি ফেস্টুন ব্যানার অপসারণের ব্যবস্থা করেননি।
গ্রাম-গঞ্জ-শহর
শতবর্ষী বৃদ্ধকে জামায়াতে ভোট দিতে দেয়নি তার ছেলেরা
টাঙ্গাইলের সখিপুর পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের শতবর্ষী আঃ করিমকে ভোট দিতে দেয়নি তার ছেলেরা।
Printed Edition