মাগুরা সংবাদদাতা : মাগুরায় নাটা গাড়ি উল্টে মঙ্গলবার ২৩ ডিসেম্বর সকালে আকাশ (১৯) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। নিহত আকাশ মাগুরা সদর উপজেলার গাংনালিয়া গ্রামের জাকির মোল্লার ছেলে।
নিহতের বড় ভাই সবুজ মোল্লা জানান, সে ও তার ছোট ভাই আকাশ মঙ্গলবার সকালে রামনগর এলাকা থেকে বাগবাড়িয়া যাচ্ছিল। এ সময় তাদের গাড়িটি পাতুড়িয়া টিপু মোল্লার ইট ভাটার নিকট পৌঁছিলে উল্টে যায়। এ সময় তার ভাই মারাত্মকভাবে আহত হয়। তাকে আহত অবস্থায় মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। লাশ সদর হাসপাতালের অস্থায়ী লাশ ঘরে রাখা হয়েছে।
গাইবান্ধা : গোবিন্দগঞ্জে ঢাকা-দিনাজপুর মহাসড়কে বুধবার বিকেলে ঢাকাগামী ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে মটরসাইকেল শেফালী বেগম (৩৫) নামে নারীর নিহত হয়েছে। নিহত শেফালী বেগম উপজেলার সাহেবগঞ্জ গ্রামের রেজাউল করিমের স্ত্রী।
জানা যায়, রেজাউল করিম তার স্ত্রী দুই সন্তানের জননি শেফালী বেগমকে নিয়ে ডাঃ দেখানোর উদ্দেশ্য গোবিন্দগঞ্জ শহরে যাচ্ছিল। যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল নিয়ে কাটা মোড় এলাকায় পৌছিলে পিছন থেকে আসা মালবাহী ট্রাক(ঢাকা-মেট্রো-ট ১৩-৪৫২৫) চাপা দিলে ঘটনা স্থলেই তার মৃত্যু হয়। গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি জানান, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করা হয়েছে।
গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা): গাইবান্ধা গোবিন্দগঞ্জে ঢাকা- দিনাজপুর মহাসড়কে মটরসাইকেল আরোহী এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ নিহত হয়েছেন।
২৪শে ডিসেম্বর বুধবার বিকালে ঢাকাগামী ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে শেফালী বেগম (৩৫) নামের এক গৃহবধূ নিহত হন। মৃত শেফালী বেগম সাহেবগঞ্জ গ্রামের রেজাউল করিমের স্ত্রী। জানা গেছে, রেজাউল করিম তার স্ত্রী শেফালীকে নিয়ে ডাক্তার দেখানোর উদ্দেশ্যে গোবিন্দগঞ্জ শহরে যাচ্ছিল। যাওয়ার পথে মোটরসাইকেল নিয়ে কাটা মোড় নামক এলাকায় পৌঁছিলে পিছন থেকে আসা মালবাহী ট্রাক(ঢাকা-মেট্রো-ট ১৩-৪৫২৫) চাপা দিলে ঘটনা স্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করা হয়েছে। নিহত শেফালী বিবাহিত জীবনে দুই সন্তানের জননী ছিলেন বলে তার পারিবারিক সূত্র জানিয়েছেন। গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চৌগাছা (যশোর) : যশোরের চৌগাছায় আগুনে পুড়ে, পানিতে ডুবে ও আত্মহত্যায় একদিনে তিন জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। ২৪ ডিসেম্বর বুধবার এসব মৃত্যুর ঘঠনা ঘটে। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাযায়, মঙ্গলবার রাতে উপজেলার জগদীশপুর ইউনিয়নের মাড়ুয়া গ্রামের মৃত কার্তিক পরামানিক বিশ্বাসের বিধবা স্ত্রী ফেকসি বালা (৮০) বাড়ির অন্য সদস্যদের সাথে শীত নিবারণের জন্য আগুন পোহাচ্ছিল। এ সময় অসাবধানতাবশত তার শাড়িতে আগুন লেগে যায়। তাকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় যশোর আড়াইশো শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে বুধবার দুপুরবেলা তিনি মৃত্যবরণ করেন। অপরদিকে উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের ওমর গাজীর পুকুরে ডুবে ঢাকার উত্তরার তানজিমুল উম্মাহ ক্যাডেট মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র হাফেজ আব্দুল্লাহ (১৬) মৃত্যবরণ করেছে। আব্দুল্লাহ নিয়ামতপুর গ্রামের আব্দুল গনির ছেলে। তার পিতার চাকুরী সুবাদে তারা ঢাকার নারায়ণগঞ্জে বসবাস করেন। ওমর গাজী জানান, আব্দুল্লাহ নারায়ণগঞ্জ থেকে গত দুই দিন পূর্বে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসে। বুধবার দুপুরে সে আমাদের পুকুরে গোসল করতে নামে। গোসল করার এক পর্যায়ে সে পুকুরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পুকুর থেকে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চৌগাছা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে উপজেলার সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের বল্লভপুর গ্রামের সলেমান আলীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৩০) স্বামীর সাথে গোলমাল করে বুধবার সকাল ১০ টার দিকে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম তিনটি মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন এসব বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।
জৈন্তাপুর (সিলেট) : সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের চাঙ্গীল ব্রীজ সংলগ্ন মুক্তাপুর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১জন নিহত।
পরিবার সূত্রে জানাযায়, ২৪ ডিসেম্বর বুধবার ভোরে নিজবাড়ী হতে কাজে যোগদানের জন্য বের হন নিহত জামাল আহমদ। প্রতিমধ্যে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কের চাঙ্গীল ব্রীজ সংলগ্ন স্থানে রাস্তা পার হয়ে যাওয়ার পথে অজ্ঞাত গাড়ী চাপা দিলে তিন মাথায় গুরুত্বর আহত হয়ে রাস্তার পাশে ঝোঁপের মধ্যে পড়েযান। সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় জনতা মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশকে খবরদেয়। খবরপেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রস্তুত পূর্বক মরাদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত যুবক জৈন্তাপুর উপজেলার জৈন্তাপুর ইউনিয়নের মুক্তাপুর টিলাবাড়ী গ্রামের জদু মিয়ার ছেলে জামাল আহমদ (৩৫)।
তামাবিল হাইওয়ে পুলিশের পাড়ির ইনচার্জ সঞ্চয় চক্রবর্তী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরাদেহ উদ্ধার করে। আঘাতের চিহ্ন দেখে বুঝা যাচ্ছে এটি দুর্ঘটনায় তার মৃত্যূ হতে পারে। আমরা আইনগত পক্রিয়ার মাধ্যমে পরবতী ব্যবস্থা গ্রহন করি। পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় উর্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়।