গত সোমবার ইনকিলাব সহ কতিপয় মিডিয়ার সংবাদ বিষয়ে কোম্পানিঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন ও বসুরহাট পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা মোশাররফ হোসেন বিবৃতি দিয়েছেন। কোম্পানিগঞ্জের চরলেংটা ঘাটের টাকা জোরপূর্বক জামায়াতের নেতারা নিয়ে যায় ও ঘাট থেকে আর টাকা না তোলার হুমকি দেয় বলে দৈনিক ইনকিলাব সহ আরও কয়েকটি পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়ায় খবর প্রচার করা হয়। যা প্রকৃত সত্যের বিপরীত। জামায়াতের কোনো ধরণের নেতৃত্ব এধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার উরিরচর লঞ্চঘাট দিয়ারাবালুয়া (৪ নং খাল চরবালুয়া) চরকাঁকড়ার মাহফুজ আলমের ছেলে ফিরোজ আলমের নামে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ কর্তৃপক্ষ ইজারা প্রদান করেন। উচ্চ আদালতে চর এলাহী ঘাটের ইজারা স্থগিত আদেশের কারণে তহশিলদার এর মাধ্যমে উপজেলা প্রশাসন খাশ আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেন। বিএনপি নামীয় কিছু জোর জবরদস্তিবাজ দিয়ারাবালুয়া ঘাটের টাকা নিজেরা উঠিয়ে নিয়ে আসে, ফিরোজ আলমকে কোনো টাকায় দেয়নি। উপজেলা প্রশাসন এবিষয়ে অবিহিত আছেন। আমরা জামায়াতকে জড়িয়ে এধরণের মিথ্যা সংবাদ প্রচারের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এধরণের সংবাদ প্রচারণা শুধুমাত্র জামায়াতের ভাবমর্যাদা নষ্ট এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার জন্যই উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে করা হচ্ছে।আমরা এহেন মিথ্যা উদ্দেশ্য মূলক সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। যে ঘটনা ঘটেছে ও তাকে ভিন্ন ভাবে প্রবাহিত করতে জামায়াতের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এহেন সংবাদ প্রেরণে বিরত থাকতে বিশেষ ভাবে অনুরোধ জ্ঞাপন করছি।