বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ আলী আলম, জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওঃ জাহিদুল ইসলাম,কাজীপুর উপজেলা আমীর অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম স্বপন, সেক্রেটারি অধ্যাপক আরমান আলী, বেলকুচি উপজেলা আমীর আরিফুল ইসলাম সোহেল ও সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা মাজহারুল ইসলাম এক যৌথ বিবৃতিতে কাজীপুরে নিজ নির্বাচনী এলাকায় সিরাজগঞ্জ জেলা আমীর জননেতা মাওলানা শাহীনুর আলম ও তাঁর গাড়ীর বহরের ওপর বিএনপির সন্ত্রাসীদের হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতি প্রদান করেছেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় ও ভরাডুবি হবে,বুঝতে পেরেই বিএনপি সারাদেশে চোরাগোপ্তা হামলা ও সন্ত্রাসের পথ বেঁচে নিয়েছে। তারই, ধারাবাহিকতায়,গতকাল সোমবার রাতে কাজীপুর উপজেলার সোনামুখি ইউনিয়নের স্থলবাড়ী গ্রামে একটি ইসলামী জালসায় প্রধান মেহমান হিসেবে জেলা আমীর মাওঃ শাহীনুর আলম মঞ্চে উঠলে সেখানে পূর্ব থেকে পরিকল্পিতভাবে অবস্থান নেয়া বিএনপির এমপি প্রার্থী সেলিম রেজার ইশারায় নজরুলকে মঞ্চের পিছনে নিয়ে প্রহার করে। জেলা আমীর বক্তৃতা শেষ করে গাড়ীতে উঠলে তার গাড়ী বহরে পিছনে থাকা মটর সাইকেল আরোহীদের দ্বিতীয় দ’ফা বাঁশের লাঠি দিয়ে প্রহার করে ১০/১২জনকে আহত করে। জেলা আমীরের গাড়ী সোনামুখি বাজারে আসলে সেখানে তৃতীয় দ’ফা অতর্কিত লাঠি-সোটা নিয়ে হামলা করে। এতে,জেলা আমীরের প্রাইভেট কার ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সন্ত্রসীরা দু’টি মটর সাইকেল নিয়ে যায়। হামলায় নেতৃত্ব দেন স্বয়ং বিএনপির ধানের শীষ প্রার্থী সেলিম রেজা। মুলত,সিরাজগঞ্জ-১ (কাজীপুর- সদর অংশিক) আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী,কেন্দ্রীয় মজলিসে শু’রা সদস্য,সিরাজগঞ্জ জেলা আমীর জননন্দিত জননেতা মাওঃ শাহীনুর আলমের জনপ্রিয়তায় ঈষান্বিত হয়েই সেলিম রেজার নেতৃত্বেই এই ন্যাক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলা পরিচালনা করে। যা অত্যান্ত দুঃখজনক ও অপ্রত্যাশিত বলে বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন।
নেতৃবৃন্দ,নির্বাচনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ সৃষ্টি ও লেবেল প্লেলিং ফিল্ড নিশ্চিত করতে দ্রুত হামলাকারী: বিএনপি সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান এবং আহতের সুস্থতা একান্তভাবে কামনা করেন।