খুলনা ব্যুরো : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, আল্লাহ তাআলার তরফ থেকে এ জাতির প্রতি এই উম্মাহর প্রতি পরীক্ষার পর পরীক্ষার মধ্য দিয়ে একটা নতুন বাংলাদেশের অভিযাত্রার সূচনা হয়েছে। এবারের ৭ নভেম্বর আমরা এমন একটা পরিস্থিতিতে এমন একটা সময়ে উদযাপন করছি যখন আধিপত্যবাদ বিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ। ৭ নভেম্বরের চেতনা ও ছাত্র-জনতার ৫ আগস্টের বিপ্লব এক সূত্রে গাঁথা। নগরীর শান্তিধাম মোড়ের তারের পুকুরস্থ দলীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খুলনা মহানগরী আয়োজিত ৭ই নভেম্বর ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।

কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরী সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলালের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন নায়েবে আমীর অধ্যাপক নজিবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট শাহ আলম, প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম ও আজিজুল ইসলাম ফারাজী, ড. আবু রুবাবা, মাওলানা আ ন ম আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক, আ স ম মামুন শাহীন, হাফেজ মুকাররম বিল্লাহ আনসারী, মিম মিরাজ হোসাইন, ইঞ্জিনিয়ার মোল্লা আলমগীর, অধ্যাপক জুলফিকার আলী, মাওলানা শাহারুল ইসলাম, মাওলানা শেখ মো. অলিউল্লাহ, অধ্যাপক ইকবাল হোসেন এডভোকেট শফিকুল ইসলাম লিটন প্রমুখ।

গাজীপুর

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে গাজীপুর জেলা ও মহানগর বিএনপির উদ্যোগে পৃথকভাবে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে শিববাড়ী মোড় ও রাজবাড়ী রোড এলাকায় অনুষ্ঠিত এসব কর্মসূচি নেতাকর্মীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।

গাজীপুর মহানগর বিএনপির আয়োজনে শিববাড়ী মোড় থেকে বিশাল শোভাযাত্রা শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মহানগর সভাপতি শওকত হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ও গাজীপুর-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম. মঞ্জুরুল করিম রনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত পথসভায় বক্তৃতা দেন কেন্দ্রীয় নেতা ডা. মাজহারুল আলম, আহমেদ আলী রুশদী, এ্যাড. শহিদুজ্জামান, অ্যাডভোকেট সিদ্দিকুর রহমান, এ্যাড. মেহেদী হাসান এলিস, প্রভাষক বশির উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম মোল্লাসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

অন্যদিকে, জেলা বিএনপির আয়োজনে রাজবাড়ী রোডস্থ জেলা কার্যালয় থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন জেলা বিএনপির আহবায়ক ও গাজীপুর-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হক মিলন। এতে যুগ্ম আহবায়ক ও গাজীপুর-৫ আসনের প্রার্থী ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, সদস্য সচিব ব্যারিস্টার ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী এবং গাজীপুর-৪ আসনের প্রার্থী শাহ রিয়াজুল হান্নানসহ জেলা নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

দুটি র‌্যালিই বিপুল জনসমাগমে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। বক্তারা বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনায় নতুন করে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকারের আন্দোলনে বিএনপি নেতৃত্ব দেবে।

ঝালকাঠি

ঝালকাঠিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ৭ নভেম্বর ঝালকাঠি পুরাতন স্টেডিয়ামের সামনে থেকে জেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট সৈয়দ হোসেন ও সদস্য সচিব এডভোকেট শাহাদাত হোসেন এর নেতৃত্বে একটি বিরাট রেলি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট নাসিমুল হাসান, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক এস এম এজাজ হাসান, সাধারণ সম্পাদক খোকন মল্লিক, ছাত্রদল সভাপতি আরিফুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক গিয়াস সরদার দীপু, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রবিউল হোসেন তুহিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক সাজু, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আনিচুর রহমান আনিচ, কৃষক দলের সভাপতি মো. তকদির হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক মো. নান্না খলিফা, শ্রমিক দলের সভাপতি টিপু সুলতান, সাধারণ সম্পাদক মামুন অর রশিদ, তাতীদলের সভাপতি বাচ্চু হাসানসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

রেলি শেষে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এডভোকেট সৈয়দ হোসেন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য জীবা আমীনা আল গাজী। তিনি বক্তব্যে বলেন, যারা আওয়ামী লীগের দোসর, যারা আমাদের উপর জুলুম নির্যাতন করেছে তাদের আমাদের মাথার উপরে তুলে চাপিয়ে দিলে আমরা মেনে নিতে পারবো না। তিনি ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করার আহ্বান জানান।

কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ)

৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কালীগঞ্জ থানা শাখার উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় জামায়াত কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবু তালিব।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ থানা জামায়াতের আমির জনাব আব্দুল হক মোল্ল্যা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন থানা জামায়াতের সেক্রেটারি জনাব লুৎফর রহমান। সভায় বক্তারা বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। এ দিনটি জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও বিপ্লবের প্রতীক হিসেবে জাতির ইতিহাসে অনন্য স্থান দখল করে আছে। বক্তারা বলেন, দেশের বর্তমান সংকট মোকাবিলায় জাতীয় সংহতি, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য। আলোচনা সভায় কালীগঞ্জ থানা জামায়াতের অন্যান্য দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জয়পুরহাট

জয়পুরহাটে নানা আয়োজনে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শহরে বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে জেলা বিএনপি।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় জয়পুরহাট শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দান থেকে জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, শ্রমিকদল, মহিলা দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহনে

একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সার্কিট হাউস মাঠে গিয়ে শেষ হয়।

কুমিল্লা

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা মহানগরী উদ্যোগে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকাল ৭টায় নগরীর আইটি হলে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরী আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে মহানগরীর সেক্রেটারি মু. মাহবুবর রহমান এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরীর জামায়াতের নায়েবে আমীর মোহাম্মদ মোছলেহ উদ্দিন,মহানগরী জামায়াত নেতা নুরে আলম বাবু,ইসরাফিল আলম,আমিনুল ইসলাম সোহেল প্রুমুখ।

আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্ধ বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সংঘটিত সিপাহী-জনতা বিপ্লবের স্মরণে পালিত স্মারক। কর্নেল (অবঃ) আবু তাহেরের নেতৃত্বে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থান খালেদ মোশাররফের ৩ দিনব্যাপী সামরিক অভ্যুত্থানের পতন ঘটায়। এই বিপ্লবের ফলশ্রুতিতে জিয়াউর রহমান বন্দীদশা থেকে মুক্তি পান এবং পরবর্তীতে ক্ষমতায় আসেন।

রাজবাড়ী

গত ৭ নভেম্বর জুমাবার সকালে স্থানীয় আজাদী ময়দান অফিসে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজবাড়ী পৌরসভা শাখার উদ্যোগে পৌর আমীর ডাঃ মো. হাফিজুর রহমান এর সভাপতিত্বে সেক্রেটারী মাওলানা লিয়াকত হোসাইন এর সঞ্চালনায় এক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ফরিদপুর অঞ্চল সহকারী মো. দেলোয়ার হোসাইন, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য, ফরিদপুর জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মো. আবু হারিস মোল্লা, কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য, জেলা জামায়াতের আমীর রাজবাড়ী -১ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এ্যাড. মো. নুরুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সাবেক ছাত্র নেতা মো. আলীমুজ্জামান সহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস সৃষ্টি হয়েছিল মূলতঃ এদেশের গণমানুষের মুক্তির তীব্র আকাঙ্ক্ষা থেকে। এবারের জুলাই বিপ্লব তারই ধারাবাহিকতার অংশ। সেদিনের বিপ্লবের ফসল যেমন ঘরে তোলার আগেই ছিনতাই হয়ে গিয়েছিল তেমনই এবারের জুলাই বিপ্লবের সুফল এ জাতি যেন ভোগ করতে না পারে সে ব্যাপারে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত চলছে, এব্যাপারে আমাদের সজাগ, সচেতন থাকতে হবে। ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নিতে চায় না এটাই বড় বাস্তবতা, কিন্তু ইতিহাস বারবার ফিরে আসে। অনেকেই চায় না আমরা মাথা উঁচু করে সন্মানের সাথে বাঁচি, স্বাধীনভাবে বাঁচি। তারা আমাদের সাথে বড় ভাই সুলভ আচরন করতে চায়, তারা আমাদেরকে অধিনস্ত করে রাখতে চায়। কিন্তু এ জাতি কারো অধীনে নয় বন্ধু হয়ে থাকতে চায়। আমাদের অনেক কিছু অর্জনের ছিল, স্বাধীনতার প্রায় ৫৫ বছরেও আমাদের অর্জন আহামরি কিছু নয়। অসৎ নেতৃত্বের কারণে আমরা অর্জনে পিছিয়ে আছি। সৎ নেতৃত্বের হাতে রাস্ট্রের ক্ষমতা থাকলে এই দেশ আজ পিছিয়ে থাকতো না।

এছাড়াও প্রধান অতিথি রাজবাড়ী সদর উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে রুকন ও কর্মী সমাবেশ, গোয়ালন্দ উপজেলায় পৃথকভাবে রুকন ও কর্মী সমাবেশ, মহিলা সমাবেশ সহ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করেন।

কাপ্তাই

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে উপজেলা বিএনপি,অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার(৭ নভেম্বর) সকাল সারে ১০ টায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি লোকমান আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মামুনের পরিচালনায় কাপ্তাই উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে র্যালি, সমাবেশ, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

র্যালী পরবর্তী কাপ্তাই উপজেলা মিলনায়তন কক্ষে, অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, জাতীয় জীবনে ৭ নভেম্বর এক ঐতিহাসিক দিন। এই দিনের চেতনা আমাদের জাতীয় জীবনে প্রেরণার উৎস। এদিনে সশস্ত্র বাহিনী ও সাধারণ মানুষের ঐক্যে জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ উন্মুক্ত হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর আধিপত্যবাদী চক্রের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয়ে সিপাহী-জনতা রাজপথে নেমে এসেছিল। ৩ থেকে ৬ নভেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত দেশে এক শ্বাসরুদ্ধকর অনিশ্চিত অবস্থা বিরাজ করেছিল। হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছিল দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব। সেদিন সিপাহী জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মাধ্যমেই রক্ষা পেয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

মীরসরাই

১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর মুজিবপন্থী কিছু বিপথগামী সামরিক সদস্যদের অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে সিপাহী জনতার ঐক্যবদ্ধ গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল। সে সময় মেজর জিয়াউর রহমানকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে বিপ্লবী জনতা এবং সিপাহী মিলে জিয়াউর রহমানকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এই দিনটিকে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে সম্মানের সহিত পালন করা হচ্ছে প্রতি বছর। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মীরসরাই পৌরসভা বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে আজ এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ৭ নভেম্বর, ২০২৫ (শুক্রবার) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মীরসরাই উপজেলা অফিসে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মীরসরাই পৌরসভার আমীর শিহাব উদ্দিন।

মীরসরাই পৌরসভা সেক্রেটারি মাওলানা ইকরামুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মীরসরাই আসন থেকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান।