দীর্ঘ ১৭ বছর পর এক নতুন ভোরের সাক্ষী হলো বাংলাদেশ। জেন-জেড বা ‘প্রজন্ম জেমিনি’র হাত ধরে যে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল, আজ তার প্রতিফলন ঘটছে ব্যালট পেপারে। ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ ছায়া মাড়িয়ে প্রথমবার ভোট দিতে আসা তরুণদের চোখে-মুখে এখন বিজয়ের আভা আর আগামীর দায়বদ্ধতা।
সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোর দীর্ঘ সারিতে চোখে পড়ছে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। যেখানে বয়োজ্যেষ্ঠদের পাশাপাশি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে হাজারো তরুণ-তরুণী। এদের বিশাল একটি অংশ ‘ফার্স্ট টাইম ভোটার’। আবু সাঈদ আর মুগ্ধদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীন পরিবেশে নিজেদের প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে তারা আবেগাপ্লুত।
তানভীর রহমান সুমন
ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী
“ দীর্ঘ ১৭ বছর এদেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম ছিল। পরপর তিনটি নির্বাচনে এদেশের মানুষ ভোটের সুযোগ পায়নি। আমি অনেক আগে ভোটার হলেও এবারই প্রথম বারের মতো ভোট দেয়ার সুযোগ পেয়েছি। আমার শাসক আমি নির্বাচন করব এর চাইতে আনন্দের বিষয় হতে পারে না। নিজেকে খুবই স্পেশাল মনে হয়েছে ভোট দেয়ার সময়। জুলাই বিপ্লবের শহীদেরা আমাদের এই ভোটের সুযোগ করে দিয়েছে।
তাদের প্রত্যাশা বাস্তবায়নের জন্য গণভোট হ্যা দিয়েছে। সেই সাথে পরবর্তীতে যে সরকার আসবে তাদের কাছে প্রত্যাশা থাকবে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর একটা ফ্রি এন্ড ফেয়ার ইলেকশন দিবেন। জুলাইয়ে চেতনা বাস্তবায়নের জন্য তারা কাজ করবেন।”