নির্বাচনের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে জনসাধারণের মাঝে ততই উৎসাহ উদ্দীপনা আমেজ বিরাজ করছে। এ নির্বাচনের মাধ্যমে জালিম ও জুলুম থেকে মুক্তির প্রত্যাশা ভোটারদের।
ভোটের মাঠে এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মুফতি আমীর হামজা ও বিএনপির প্রার্থী জাকির হোসেনের হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সমীকরণ থাকলেও ১৩ ইউনিয়নের তথ্য চিত্র ভিন্ন। এ আসনের ১৩ ইউনিয়নের অর্ন্তগত ১৪৯ গ্রামের ভোটের মাঠে জামায়াতের প্রার্থী মুফতি আমীর হামজা অনেক এগিয়ে আছেন। এক জরিপে দেখা গেছে, মুফতি আমীর হামজা কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনে ৬০/৭০ হাজার ভোটে জয়লাভ করবেন। বিএনপির মাঝে অভ্যান্তরিন দ্বন্দ্ব থাকায় জয়ের মালা জামায়াতের প্রার্থী মুফতি আমীর হামজার গলায় উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন জামায়াতের নেতাকর্মীরা।
বিএনপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার মাঠ ধরে রাখতে প্রাণপন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সূত্রমতে, বিগত ১৬ বছরে আওয়ামীলীগ শেখ হাসিনার শাসন-শোষণ, জুলুম নির্যাতন, হামলা-মামলার কারণে গৃহহারা হয়ে পড়ে জামায়াত ও বিএনপিসহ অন্যান্য দলের নেতাকর্মীরা। বিয়ে অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে জানাজা অনুষ্ঠানেও ছিলো বাঁধা। মসজিদের মেম্বর থেকে শুরু করে কোন দপ্তরেই হক কথা বলার ক্ষমতা ছিলোনা কারোরই। সেই জুলুম নির্যাতন থেকে মুক্তির জন্য ফরিয়াদ ছিলো কুষ্টিয়ার আপামর জনসাধারণের। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেও কুষ্টিয়ায় জামায়াতের নেতাকর্মীরা ময়দান আঁকড়ে ধরে রাখেন। সকল সভা-সমাবেশ মিছিল মিটিং নিষিদ্ধ থাকলেও জামায়াতের নেতাকর্মীরা অনেক কৌশল অবলম্বন করে বিভিন্নভাবে দলের কর্মসূচী পালনের মাধ্যমে সংগঠনকে মজবুত করেন। আওয়ামীলীগের হাই কমান্ড নেতা মাহবুবউল আলম হানিফের কথিত দূর্গ কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনের মাঠে ময়দানে জামায়াত সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে জামায়াতের নেতাকর্মীরা মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌছে যায়। বিগত সময়ে উত্তপ্ত ময়দানে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে জামায়াত। বিগত সময়ের জলুম নির্যাতনের প্রতিবাদ ব্যালটের মাধ্যমে দিবেন কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনের জনগণ। এমনটিই প্রকাশ করেছেন কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনের ১৪ ইউনিয়নের জনগণ।