হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা : চট্টগ্রামের হাটহাজারী-নাজিরহাট আঞ্চলিক মহাসড়ক এখন পরিণত হয়েছে মৃত্যুফাঁদে। গত কয়েক মাসে এ সড়কে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২০ জন, আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ। দুর্ঘটনার শিকারদের অধিকাংশই মিরেরহাট, চরিয়া, সরকারহাট, কাটিরহাট ও ফরহাদাবাদ এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয়দের অভিযোগÍডিভাইডার না থাকা, বেপরোয়া গতি, ফিটনেসবিহীন যান এবং রাস্তার ওপর দোকান বসাসহ নানা অনিয়মই দুর্ঘটনার মূল কারণ।
দুর্ঘটনার কারণ : তিন লেনে সম্প্রসারিত হওয়ার পর সড়কে গতি বেড়ে গেলেও পথচারীদের নিরাপত্তায় নেওয়া হয়নি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। নেই ফুটওভার ব্রিজ, আন্ডারপাস কিংবা সিগন্যাল ব্যবস্থা। ফলে স্কুল-কলেজমুখী শিক্ষার্থী, অফিসগামী মানুষ ও বয়স্কদের প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার করতে হয়।
পার্বতী মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, “মহাসড়ক সম্প্রসারণ হলেও পথচারীদের নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা হয়নি। প্রশাসনের উদাসীনতায় একের পর এক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটছে।”
মির্জাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিয়া দাশ বলেন, “স্কুলে আসা-যাওয়ার সময় সড়ক পার হতে ভয় লাগে। কোথাও সিগন্যাল বা স্পিডব্রেকার নেই।”
স্থানীয় শিক্ষক মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, “গত সপ্তাহেই আমার সামনে একটি ট্রাকচাপায় এক স্কুলশিশু নিহত হয়। এমন দুর্ঘটনা এখন নিয়মিত ঘটনা।”