বিলুপ্ত ঘোষণার ২৫ দিন পর গাজীপুর জেলা বিএনপির আওতাধীন পাঁচটি উপজেলা ও তিনটি পৌর ইউনিটে ৮ টি নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গত ২০ মে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে কালিয়াকৈর, শ্রীপুর, গাজীপুর সদর, কালীগঞ্জ ও কাপাসিয়া উপজেলা এবং কালিয়াকৈর, শ্রীপুর ও কালীগঞ্জ পৌর বিএনপির কমিটিগুলো বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। বিলুপ্তির ঠিক ২৫ দিন পর, শনিবার (১৪ জুন) বিকেলে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এ কে এম ফজলুল হক মিলন, ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু এবং সদস্য সচিব ব্যারিস্টার চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকীর যৌথ স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটিগুলোর ঘোষণা দেওয়া হয়।

নতুন ঘোষিত কমিটিগুলোর মধ্যে— কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপিতে আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম, সদস্য সচিব এম আনোয়ার হোসেন; কালিয়াকৈর পৌর বিএনপিতে আহ্বায়ক মামুদ সরকার, সদস্য সচিব মহসিন উজ্জামান; শ্রীপুর উপজেলা বিএনপিতে আহ্বায়ক আব্দুল মোতালেব, সদস্য সচিব খাইরুল কবির মন্ডল আজাদ; শ্রীপুর পৌর বিএনপিতে আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির সরকার, সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন ব্যাপারী;

গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপিতে আহ্বায়ক মো. আবু তাহের মুসুল্লী, সদস্য সচিব আবু বকর সিদ্দিক;

কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপিতে আহ্বায়ক মাষ্টার হুমায়ুন কবির, সদস্য সচিব খালেকুজ্জামান বাবলু;

কালীগঞ্জ পৌর বিএনপিতে আহ্বায়ক মো. হোসেন আরমান, সদস্য সচিব ইব্রাহীম প্রধান;

কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপিতে আহ্বায়ক শাহ রিয়াদুল হান্নান, সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আজিজুর রহমান পেরা মনোনীত হয়েছেন।

বিষয়ে গাজীপুর জেলা বিএনপির ১নং যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, "সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা এবং নেতৃত্বদানের যোগ্যতা যাচাই করেই এ কমিটিগুলো গঠন করা হয়েছে। নিষ্ক্রিয়তা ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে পুরনো কমিটিগুলো বিলুপ্ত করা হয়েছিল। নতুন কমিটিগুলো কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী আন্দোলনের ফ্রন্টলাইনে কাজ করবে।"বিশেষ করে ছাত্রদলের পুরনো নেতা, যারা ৫ আগস্ট এর পর বিপথগামী হয়ে যায়নি সামনের সর্বোপরি সামনের নির্বাচন ও আন্দোলন সংগ্রামে যারা বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে পারবে এ ধরনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের রকমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, "তরুণ, শিক্ষিত ও উদ্যমীদের স্থান দিয়ে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলা হয়েছে। মতপার্থক্য থাকলেও তা দলীয় ঐক্যের মাধ্যমে গণতান্ত্রিকভাবে সমাধান করা হয়েছে। কেন্দ্র ও তৃণমূলের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ, কার্যক্রম মূল্যায়ন ও সমন্বয় রক্ষার মাধ্যমে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা হবে।"

নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটিগুলো সংগঠনকে সুসংগঠিত করে দলের কর্মসূচি বাস্তবায়নে এবং আগামীর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে। জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের দায়িত্বশীল ও ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠন পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে।