জাকির হোসেন, সৈয়দপুর, নীলফামারী

আজ তার বিয়ে। একইসাথে আজ জাতীয় নির্বাচন। তাই বরের বেশেই ভোট দিতে এসেছেন যুবক। নতুন বাংলাদেশ গড়তে গণভোট দেয়াসহ পছন্দের প্রার্থীকে বেছে নিতে সিল মেরেছেন ব্যালটে। ভোট দেয়ার পর কেন্দ্রের বাহিরে অবস্থান করে ভোট দেয়ায় উদ্বুদ্ধ করছেন অন্যদের। তাই দেখে উৎসাহিত সাধারণ মানুষসহ মিডিয়াকর্মীরা।

এই দৃশ্য দেখা গেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে। ওই কেন্দ্রের ভোটার পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের নিয়ামতপুর সরকারপাড়ার মঞ্জরুল হোসেনের ছেলে সামিউল ইসলাম। তিনি জানান, গত ২০১৮ সালে আমি ভোটার হয়েছি। কিন্তু ওই বছর ভোট দিতে পারিনি। ভোট কেন্দ্রে গিয়ে জানতে আমার ভোট দেয়া হয়ে গেছে। অর্থাৎ অন্য কেউ দিয়ে দিয়েছে।

এমন অনিয়মের কারণে ২০২৪ এর বিতর্কিত নির্বাচনে আর ভোট দিতে যাইনি। সেই জন্য এবারই আমি প্রথম ভোট দিলাম। আর তাই এটিকে স্মরণীয় করে রাখতে আমার বিয়ের তারিখও ঠিক করেছি এই দিনে। আগে ভোট পরে বিয়ে শে¬াগানে অত্যন্ত উৎসাহের সাথে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছি।

পেশায় চাকুরীজীবি সামিউল আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশে নতুন জীবন শুরু করতে আমি ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীকে এবং বিগত দিনের অপসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে সংষ্কারের প্রতি হ্যাঁ তে মত দিয়েছি। পরিবারতান্ত্রিক রাজনৈতিক বেড়াজাল ভেঙ্গে দিয়ে জনগণের কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়তে হবে। ইনশাআল¬াহ বাংলাদেশ পন্থীদের বিজয় হবে।

আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে উৎসব মুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সবাই ভোট দিচ্ছে। বিশেষ করে আমার মত দীর্ঘদিন থেকে ভোট দিতে না পারা ভোটার ও একেবারে নতুন ভোটাররা অনেক বেশি উৎফুল¬। আর নারী ভোটাররাও বেশ আগ্রহ নিয়ে ভোট দিতে আসছে। সচেতন নাগরিকরা অধিকার নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে নিরব বিপ¬ব ঘটাবে।