বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শীত জেঁকে বসেছে। কনকনে ঠান্ডা বাতাস আর ঘন কুয়াশা স্বাভাবিক জনজীবনে প্রভাব ফেলেছে। শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে, আট দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

গতকাল শনিবার পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী কয়েকদিনে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে দেশের অনেক জায়গায় ঠান্ডার অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে। এই কয়েকদিনে সারাদেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

পৌষের শুরুতে শীতের দেখা মিলছে না- এমন কথাবার্তার মধ্যেই হঠাৎ করে জেঁকে বসেছে শীত। দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বয়ে যাচ্ছে মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। যশোর, চুয়াডাঙ্গা, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নীলফামারী জেলার ওপর দিয়ে বইছে এই শৈত্যপ্রবাহ।

আবহাওয়াবিদ শাহনাজ সুলতানা বলেন, এসব জেলায় যে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়েছে, সেটিই চলতি মৌসুমের প্রথম। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন সারা দেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। বাড়তে পারে শীতের তীব্রতা এবং কুয়াশার প্রকোপ। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের ওপর শীতের প্রভাব বাড়ার পেছনে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের ভূমিকা রয়েছে। এর বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

শীতের এই আকস্মিক প্রকোপে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষ। হিমেল বাতাস ও কুয়াশার কারণে জনজীবনের স্বাভাবিক ছন্দে ছেদ পড়েছে। বিশেষ করে খেটেখাওয়া দরিদ্র মানুষ, নিম্নআয়ের শ্রমজীবী ও ভাসমান জনগোষ্ঠী পড়েছেন চরম কষ্টে।

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে গত পাঁচ দিন ধরে শীতের অনুভূতি বেড়েছে মূলত তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার কারণে। এই সময়ের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে। ঢাকায় চলতি শীতে শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে প্রায় ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এর আগের দিন ছিল ১৪ ডিগ্রি এবং তারও আগে ১৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শুক্রবার দেশের অন্তত দুই জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে, যা এ মৌসুমের সর্বনিম্ন। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের অধিকাংশ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

সবচেয়ে বেশি শীত তেঁতুলিয়া-যশোরে

দেশে সবচেয়ে বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে প্রায় ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। খুলনা বিভাগের যশোরেও তাপমাত্রা নেমেছে একই ঘরে। ঢাকা বিভাগে ঢাকার পাশাপাশি টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও ফরিদপুরে তাপমাত্রা নেমেছে ১২ ডিগ্রির আশপাশে। রাজশাহী বিভাগে রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা ও নওগাঁয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। এসব এলাকায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের অনুভূতি রয়েছে। রংপুর বিভাগে শীতের প্রকোপ সবচেয়ে তীব্র। তেঁতুলিয়ার পাশাপাশি দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও গাইবান্ধায় তাপমাত্রা ১০ থেকে ১১ ডিগ্রির মধ্যে অবস্থান করছে।

ময়মনসিংহ বিভাগের ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনায় তাপমাত্রা প্রায় ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে নেমেছে প্রায় ১২ ডিগ্রিতে। খুলনা বিভাগে খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ১১ থেকে ১২ ডিগ্রির মধ্যে। বরিশালে তাপমাত্রা রয়েছে ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রির ঘরে। চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনী ও কক্সবাজারে তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকলেও পাহাড়ি এলাকায় শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। ভোর ও রাতের দিকে কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাসে শীতের অনুভূতি আরও বেড়ে যাচ্ছে। সকালবেলা কাজে বের হওয়া মানুষ, বিশেষ করে শ্রমজীবী ও পথচারীরা পড়ছেন চরম দুর্ভোগে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। অনেক এলাকায় মানুষকে খোলা জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে বা অস্থায়ীভাবে উষ্ণতার ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে।

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা: ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডা বাতাসে গত কয়েকদিন ধরে দেশের উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। দুপুরের আগে সূর্যের দেখা মিলছেনা, বিকাল গড়তেই ঘনকুয়াশায় ঢাকা পড়ছে জনপদ। ঘনকুয়াশার কারণে দিনের বেলায় সড়কে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। গতকাল শনিবার সকাল ৭ টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, শীতের কবল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ছিন্নমুল মানুষেরা খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে।

ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের রিকশা চালক আব্দুল খালেক,ভ্যান চালক হাক্কু মিয়া ও কৃষি শ্রমিক আব্দুল জলিল বলেন,কয়েক দিন থেকে খুব৷ শীত আর ঠান্ডা পড়েছে ঘড় থেকে বের হওয়া যায়না বাহে।

কৃষি শ্রমিক আব্দুল জলিল বলেন হামক তো বের হওয়া লাগবে কাজ করা লাগবে, কাজ না হইলে পেটেতো একমুঠ ভাত দিতে পাবোনা, বউ ছাওয়াক খাওয়াবকি তাই কষ্ট হলেও বের হলাম।

ওই রিকশা ও ভ্যান চালক বলেন এখন পর্যন্ত একটাও ভাড়া পাই নাই। রাস্তায় মানুষ নাই ভাড়া হবে কেমনে,তাই বসে আছি। বাজার খরচ না নিয়ে যেতে পারলে বউ বাচ্চা না খায়া থাকবে।

কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যাবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্ম কর্তা সুবল চন্দ্র জানান আজ সকাল ৭ টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েকদিন শীত ও কুয়াশার প্রবনতা অব্যাহত থাকতে পারে এবং সামনে মৃদু শৈত্যে প্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানান ওই কর্মকতা।

লালমনিরহাট সংবাদদাতা : গত বুধবার থেকে গতকাল শনিবার পর্যন্ত মোট ৪ দিনেও লালমনিরহাটে সূর্যের দেখা মেলেনি। শীতে কাহিল লালমনিরহাটের জনজীবন। কনকনে ঠান্ডা বাতাস ও বৃষ্টির মতো ফোঁটা ফোঁটা শিঁশিরে শীতের তীব্রতায় বিশেষ করে লালমনিরহাটের তিস্তার তীরবর্তী ছিন্নমূল মানুষেরা বিপাকে পড়েছেন। এতে হতদরিদ্র ও খেঁটে খাওয়া মানুষ ঘনকূয়াশা আর বাতাসে মাঠে- ঘাঠে কাজ করতে পারছেনা। শীতের তীব্রতায় ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকান গুলোতে বাসস্ট্যান্ড ও রেলওয়ে স্টেশনের প্লাটফর্ম থাকা ছিন্নমূল মানুষেরা তীব্র শীতে কাবু হয়ে পড়েছেন। তীব্র শীত থেকে কিছুটা রেহাই পেতে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা চালানো হলেও শীতের তীব্রতা থেকে নিস্তার পাচ্ছে না ওই সব মানুষ। শীত বেড়ে যাওয়ায় বোরো ধানের বীজতলা প্রস্তুতি ও চাষআবাদে ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটছে। ঠান্ডা জনিত রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন হাসপাতালে শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা বেশী, যারা শীতজনিত সমস্যায় ভূগছেন। সরকারি ও বেসরকারি ভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ শুরু করা হলেও চাহিদা তুলনায় অপ্রতুল।

এদিকে কুয়াশার কারণে মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কগুলোতে যানবাহন ধীরগতি ও হেটলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। তবে শীতের তীব্রতায় অটোরিকশা, রিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচলের সংখ্যা কমে গেছে। শীতের তীব্রতায় হাট- বাজার ও বন্দর শহরে লোকসমাগম খুবেই কম দেখা গেছে।

মাগুরা সংবাদদাতা : মাগুরায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। পৌষ মাসের শুরুতে শৈত প্রবাহ, কুয়াশা আর হিমেল বাতাসে জনজীবন বিপর্যস্ত। গত এক সপ্তাহ ধরে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় মানুষ জবুথুবু হয়ে যাচ্ছে। সকাল থেকেই মিলছে না সূর্যের দেখা। তবুও ভোর হতেই কিছু কর্মকান্ত মানুষ বেরিয়ে পড়েছে কাজের সন্ধানে। শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় মাগুরার বিভিন্ন সড়কে ভোর হতেই মানুষের তেমন আনাগোনা নেই। ভোর থেকে মাগুরা একতা কাঁচা বাজারে সবজি বোঝাই করে বিভিন্ন নসিমন চলাচল করতে দেখা গেছে। এইসব নছিমনে শীতের সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন শিম বহন করতে দেখা যায়। নছিমনের চালকরা তীব্র শীত উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাচ্ছেন। কুয়াশা আর শৈত প্রবাহের কারণে সড়কের বিভিন্ন জায়গায় ঘটছে দুর্ঘটনা। দুপুর গড়িয়ে বিকাল হয়ে গেলে সূর্যের উকিঝুকি চোখে দেখা যায়। সূর্যের আলোর তীব্রতা কম থাকায় বেড়ে যায় আরো শীত।

রিক্সা চালক হাসানুর বলেন, তীব্র শীতে গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বের হতে পারছি না। পরিবার পরিজনের কথা চিন্তা করে সড়কে তীব্র শীত উপেক্ষা করে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। সকালে তেমন যাত্রী পাওয়া যায় না। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সড়কে কিছু লোক বের হলেও রিকশায় উঠতে চায় না। তাই তীব্র শীতে পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে আছি।

বেলা বাড়ার সাথে সাথে তীব্র শীত উপেক্ষা করে কর্মক্লান্ত মানুষকে অফিস আদালতে যেতে দেখা যায়। বার্ষিক পরীক্ষা শেষে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সমাগম নেই। এদিকে তীব্র শীত বেড়ে যাওয়ায় লেপ তোষকের দোকানে ভিড় বেড়েছে।

নিম্ন আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত মানুষেরা শীতের কাপড় কিনতে ভিড় করছেন শহরের ফুটপাত দোকান গুলোতে।

অন্যদিকে, শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় মাগুরা ২৫০ শয্যার হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে ঠান্ডা জনিত রোগে শিশু রোগির সংখ্যা বেড়েছে অত্যাধিক। তাছাড়া ছিন্নমূল মানুষ পড়েছে মহা সমস্যায়। তাদের শীতবস্ত্র না থাকায় এবং সরকারি ভাবে কোন শীতবস্ত্র বিতরণ না করায় শীতে কষ্ট পাচ্ছে তারা। অবিলম্বে দুস্থ দের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা: ঘন কুয়াশার কারণে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২২ জন আহত হয়েছেন। গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার গুণগ্রাম হরিপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনা¯’লে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন।

পুলিশ জানায়, ঘন কুয়াশার মধ্যেই ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা প্রান্তিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস টাঙ্গাইলের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা বিনিময় পরিবহনের একটি বাস গুণগ্রাম হরিপুর এলাকায় পৌঁছালে প্রান্তিক পরিবহনের বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। দুই বাসের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে দুই বাসের কমপক্ষে ২২ জন আহত হন।

ঘাটাইল থানার ওসি মোকছেদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করেছেন। আহত ২২ জনের মধ্যে ১০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছাড় দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহত ১২ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসপাতাল, ময়মনসিংহ ও ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে।