শাহজাহান তাড়াশ সিরাজগঞ্জ : চলনবিলে পৌষ মাসের কনকনে শীতে যবুথবু দেশের উত্তরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ। শীত বেড়ে যাওয়ায় গরম কাপড় কিনতে ছুটছেন ফুটপাতের কাপড়ের দোকানে। বিশেষ করে নি¤œআয়ের মানুষের ভিড় বেশি এসব দোকানে। চলনবিলের বিভিন্ন এলাকায় হাট বাজার শহরের বাসস্ট্যান্ড ও কলেজ রোডের ফুটপাত এলাকায় বসেছে ১৫ থেকে ২০টি অস্থায়ী পুরাতন কাপড়ের দোকান।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শীতের পুরাতন কাপড় বেচাকেনায় ব্যস্ত ক্রেতা ও বিক্রেতারা। এসব দোকানে সাধারণত ৫০ টাকা থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে মিলছে শীতের পুরাতন কাপড়। আধা পুরাতন কাপড় পাওয়া যাচ্ছে ১৫০ টাকা ৩৫০ টাকার মধ্যে আর নতুন কাপড় সাধারণত ২৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে।
তাড়াশ উপজেলার নওগা হাটের উল্লাপাড়া এলাকার ফুটপাতের কাপড় ব্যবসায়ি আঃ মান্নান জানান, দেশি-বিদেশি, নতুন-পুরাতন সব ধরনের কাপড় পাওয়া যাচ্ছে এখানে। তিনি জানান, চট্রগাম মোকাক থেকে গত দুই সপ্তাহে আগে মাল এনেছেন তিনি। আগে তেমন বেচাবিক্রি হয় নাই । দুই দিন ধরে বেচাকেনা বেশ ভালো হচ্ছে। সকাল ৭ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত এখানে বেচাকেনা করছি।
ফুটপাতের পাশাপাশি বেচাকেনার ভিড় বেড়েছে মার্কেটের কাপড়ের দোকানগুলোতেও। এসব দোকানে হুডি, মোটা গেঞ্জি, জ্যাকেট, সুয়েটার, মেয়েদের কার্ডিগান, শর্ট কোর্ট, বেলবেড জ্যাকেট , ডেনিম শার্ট, বাচ্চাদের শীতের জামা, কানটুপি, মাফলার, মোজাসহ বিভিন্ন ধরনের শীতবস্ত্র নিয়ে বসেছেন ফুটপাতে। সকল বয়সের মানুষের শীত বস্ত্র পাওয়া যায় এসব দোকানে।
পাবনা নাটোর সিরাজগঞ্জের চলনবিলের শহরের বিভিন্ন মার্কেট ও ফুটপাতের দোকানে শীতবস্ত্রের দাম যাচাই করে দেখা যায়, হুডি ২৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা, মোটা গেঞ্জি ১৫০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা, মেয়েদের কার্ডিগান ৩০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা, সুয়েটার ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা, মোটা জ্যাকেট ৫০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা, কানটুপি ৬০ টাকা থেকে ১২০ টাকা, মাঙ্কি টুপি ৪০ টাকা ৬০ টাকা, শর্ট কোর্ট ৪০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা, ছোটদের শীতের পোশাক ১০০টাকা থেকে ৩০০ টাকা, পা মোজা ৩০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।