ঈদুল ফিতরের ছুটির পূর্বে দেশের সর্বস্তরের শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও পূর্ণাঙ্গ ঈদ বোনাস পরিশোধ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ওচট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ খাইরুল বাশার। তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ না হলে শিল্পখাতে চরম শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি হতে পারে।

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে থানা ও সেক্টর দায়িত্বশীলদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১১ মার্চ নগরীর জামালখানস্থ নগর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান ও সঞ্চালনা করেন নগর সহ-সভাপতি মকবুল আহম্মেদ ভূঁইয়া।

অধ্যক্ষ খাইরুল বাশার বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানানো হয়েছে- ২০ রমজানের মধ্যেই শ্রমিকদের ঈদ বোনাস পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখনো অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান এ দাবি বাস্তবায়ন করেনি। এতে শ্রমিকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও হতাশা তৈরি হচ্ছে।

তিনি বলেন, ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস নিয়ে কোনো ধরনের নয়ছয় বা গড়িমসি করা হলে তা চরম শ্রমিক অসন্তোষের জন্ম দিতে পারে। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে এর দায় মালিকদের গাফিলতিকেই বহন করতে হবে। মালিকদের উচিত দায়িত্বশীল আচরণ করে সময়মতো শ্রমিকদের প্রাপ্য পরিশোধ নিশ্চিত করা।

সরকারের ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে সরকারের উচিত গভীর মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে নিশ্চিত করতে হবে, যাতে কোনো প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে না পারে।