নান্দাইল (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা: ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা সদর টু বাকচান্দা পাকা সড়কের সংস্কার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের ইটের খোয়া। সেসমস্ত ইটের খোয়ার উপর রোলার দিয়ে চাপ দেওয়ার পরপরই নিমিষেই তা গুড়ো হয়ে যাষ্টেয়। কিš‘ এরকম নি¤œমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের বিষয়টি ঢেকে ফেলার জন্য সাথে সাথে পানি ছিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ যেন শাক দিয়ে মাছ ঢাকা। এদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ও নীরবতায় স্থানীয় জনতার মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা এলজিইডি অফিস সূত্রে জানাগেছে, নান্দাইল টু বাকচান্দা সড়কের তিন কিলোমিটার রাস্তা সংস্কারের জন্য এলজিইডি’র অর্থায়নে ২ কোটি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। এ রিপেয়ারিং এর দায়িত্ব পেয়েছে ‘মেসার্স ইএসবি এন্টারপ্রাইজ নামে স্থানীয় এক ঠিকাদার। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কাজটি বাস্তবায়ন করছেন সারোয়ার হোসেন নামে জনৈক্য ব্যাক্তি।

সরজমিন পরির্দশনে দেখাগেছে, পাকা সড়কের পুরাতন কার্পেটিং উঠিয়ে তা গুড়ো করে পুনরায় সমান করে তা রাস্তায় বিলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারপর নি¤œমানের ইটের খোয়া ফেলার পরপরই তা রোলার দিয়ে সমান করার পাশাপাশি পানিও ছিটানো হচ্ছে। যাতে করে ইটের খোয়াগুলো লাল রং ধারন করায় নি¤œমানের খোয়াগুলো উ”চ মানের বুঝায়। কিš‘ রোলারের চাপে তা নিমিষেই গুড়ো হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা কাজের মান নিয়ে অসন্তোষ সহ তীব্র প্রতিক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। পথচারী ইজাজুল হক ও হৃদয় মিয়া জানান, এরকম নি¤œ মানের কাজ করা হলে বছর যেতে না যেতেই আবার তা ভেঙ্গে গিয়ে বড় বড় ধরনের গর্তের সৃষ্টি হবে। এরপূর্বেও রাস্তাটি করা হয়েছিল, বেশীদিন ঠিকেনি। পুরো রাস্তাটিতেই এরকম অনিয়ম চলছে। এতে ভোগান্তিতে পড়তে হবে সাধারণ জনগণকে।

উক্ত কাজের তদারককারী সারোয়ার হোসেন জানান, রাস্তায় ইটে খোয়া ধরা নেই। যেখানে গর্ত সেখানে কিছু কিছু ইটের খোয়া দেওয়া হচ্ছে। তবে নি¤œমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের বিষয়ে তিনি বলেন, যতটুকু ইটের খোয়া ফেলা হয়েছে, তা পরিবর্তন করে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে নান্দাইল উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) কর্মকর্তা আব্দুল মালেক বিশ^াস বলেন, বিষয়টি দেখার জন্য অফিস থেকে লোক পাঠিয়েছি। ইস্টিমিটে ইটের খোয়া ধরা নেই, তবে কিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে তা কথিয়ে দেখা হবে।