গৌরনদী (বরিশাল) সংবাদদাতা : বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় মৎস্য জীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে উপজেলা মৎস জীবীদের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে। গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় উপজেলা চত্বরে মৎস্য অধীদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রসেনজিৎ দাস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ ইব্রাহিম, ( ২০২৫-২৬) অর্থ বছরের কার্যক্রম দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ উন্নয়ন প্রকল্প এর আওতায় মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বকনা বাছুর বিতারণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, গৌরনদী প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ জহিরুল ইসলাম জহির, টরকী বন্দর বনিক সমিতির সভাপতি মোঃ হাসান মাহাবুব শরিফ, ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, জাহানারা পারভিন,

উপজেলার মৎস্য প্রকল্পের আওতায় মৎস্যজীবীদের যাচাই বাছাই করে ৬০ জন মৎস্যজীবীর মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইব্রাহিম, মৎস্যজীবীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণের পাশাপাশি মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে তার অংশ হিসেবে বকনা বাছুর বিতরণ করা হচ্ছে। বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হলে। মৎস্য জীবীরা নিষিদ্ধ সময় মাছ আহরনের বিরত থাকবে।

এ সময় জন প্রতিনিধি সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও উপকারভোগী মৎস্যজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

সুন্দরবনের কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১০০ কেজি হরিণের মাংসসহ ফাঁদ জব্দ

মোংলা সংবাদদাতা : সুন্দরবনের কাগাদোবেকি এলাকায় কোস্ট গার্ডের বিশেষ অভিযানে ১০০ কেজি হরিণের মাংস এবং প্রায় ৪ হাজার মিটার দৈর্ঘ্যরে শিকার ফাঁদ জব্দ করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় শিকারিরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

গত ১৩ জানুয়ারি সকালে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোহাম্মদ মুনতাসীর ইবনে মহসিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ১২ জানুয়ারি বিকাল আনুমানিক ৪টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন কাগাদোবেকির একটি দল সুন্দরবনের ঘোলের খাল সংলগ্ন এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় উক্ত এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০০ কেজি হরিণের মাংস এবং হরিণ শিকারে ব্যবহৃত প্রায় ৪ হাজার মিটার ফাঁদ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, কোস্ট গার্ড সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে শিকারিরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পালিয়ে যায়। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে উদ্ধারকৃত আলামত বন্যপ্রাণী শিকার সংক্রান্ত অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় সেগুলো আইনানুগ প্রক্রিয়ার জন্য কাগাদোবেকি ফরেস্ট টহল ফাঁড়ির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বন্যপ্রাণী হত্যা ও পাচার প্রতিরোধে নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে কোস্ট গার্ডের অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।