মাহে রমযানের শেষ পর্যায়। সমাগত পবিত্র ঈদ-উল ফিতর। ঈদের এ ধর্মীয় উৎসবের জন্য নতুন জামা কাপড় কেনার পাশাপাশি রূপ চর্চার প্রসাধনী ক্রয়ে ব্যস্ত রয়েছেন তরুণী ও যুবতীরা। একারণে বিপণি বিতানগুলিতে পোষাক ক্রয়ের ভিড়ের পাশাপাশি কসমেটিক্স দোকানগুলিতে এখন উপচে পড়া ভিড়। ফুটপাথ থেকে শুরু করে বড়ো বড়ো মার্কেটের কসমেটিক্স এর দোকানে ভিড় করছেন তারা। বিভিন্ন দোকান ঘুরে তারা তাদের পছন্দের পণ্যটি কিনছেন। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, ঈদের সাজসজ্জা পরিপূর্ণ করতে রমযানের শেষ সপ্তাহে এ সব পণ্য বেশি কেনেন ক্রেতারা। এ সময়ে প্রসাধনী সামগ্রীর বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ে। খুলনার বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রসাধনীর দোকানগুলো মেকআপ প্যালেট, স্কিনকেয়ার সামগ্রীর বোতল ও রূপচর্চার নানা অনুষঙ্গের রঙিন পসরা সাজানো। বিক্রেতারা জানান, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে দোকানে ক্রেতাদের ভিড়ও তত বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণী ও কর্মজীবী নারীদের উপস্থিতি এসব দোকানে সবচেয়ে বেশি।

বড়বাজারের ব্যবসায়ী রমজান আলী জানান, ‘কাশ্মীরি চুড়ি, কাশ্মীরি দুল, জয়পুরী কানের দুল, গলার হার, স্টেইনলেস স্টিল ব্রেসলেট নারীদের প্রধান আকর্ষণ। এ সকল পণ্যগুলো ইন্ডিয়া ও চায়নার তৈরি। তাছাড়া রয়েছে শিকলামের ফাউন্ডেশন, চোখের নীচে কালো দাগ আড়াল করার জন্য কনসিলার চলছে ব্যাপক হারে।’ তিনি বলেন, ‘রমজানের প্রথম থেকে বিকিকিনি বেশ ভালো। তরুণী থেকে শুরু করে সব বয়সি নারীরা আসছেন প্রসাধনী পণ্য ক্রয় করতে।’ শেষ ক’দিনে আরও বাড়বে বলে মনে করেন এ ব্যবসায়ী। একই বাজারেরর অপর ব্যবসায়ী সুজিত কুমার দাস বলেন, ‘উৎসবের এ মওসুমে রূপচর্চার সামগ্রীর চাহিদা চোখে পড়ার মতো। মেকাপ প্রোডাক্টস সারা বছরই বিক্রি হয়। তবে ঈদের সময় বেচাকেনা একটু বাড়ে।’

খালিশপুর আলম নগরের বাসিন্দা সুমাইয়া হাসান অথৈ জানান, ‘জামা কাপড় ক্রয় করা শেষ। ড্রেসের সাথে ম্যাচ করে কসমেটিক্স কেনার জন্য এ মার্কেটে এসেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘পিকচার প্যালেস এশা চেম্বারের প্রসাধনী মার্কেটের তুলনায় এখানকার পণ্যগুলোর দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় এখানে আসা।’ অভিযোগ করে বলেন, এবার সব জিনিসের দাম আগের বছরের তুলনায় বেশি।

খুলনা করোনেশন বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ইরিশা মাকে সাথে নিয়ে একই বাজারে আসেন। তিনি জানান, ‘সব কেনা শেষ। বাকি শুধু প্রসাধনী। দাম ঠিক আছে।