বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক এবং খুলনা-৬ আসনের জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, কয়রা ও পাইকগ্ধাসঢ়;ছা উপজেলা দুটি সম্ভাবনাময় উপকূলীয় জনপদ। সুন্দরবন সংলগ্ন নদী-নালা ও কৃষিনির্ভর অর্থনীতি এ অঞ্চলের বড় শক্তি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ধসঢ়;জছেলবায়ু পরিবর্তন, লবণাক্ততা, নদীভাঙন ও অব্যবস্থাপনার কারণে এখানকার মানুষ প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে। এই এলাকার মানুষ প্রতিনিয়ত অর্থনৈতিক দুরবস্থার মধ্য দিয়ে বসবাস করছে। এলাকার উন্নয়নের প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ।

বারবার অস্থায়ী সংস্কার নয়Ñপ্রয়োজন বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনায় স্থায়ী সমাধান, যাতে মানুষ নিরাপদে ঘরবাড়ি ও জীবিকা রক্ষা করতে পারে। কিন্তু এখানকার জনপ্রতিনিধিরা বারবার সাধারণ জনগনের সাথে এক ধরনের প্রতারণা করেছে।

লুটপাট আর অনিয়ম দূর্ণীতির কারণে মানুষের অধিকার থেকে বঞ্ধসঢ়;এচিত করা হয়েছে। এবার সময় এসেছে নিজেদের অধিকার বুঝে নেওয়ার। আমি এই এলাকার সন্তান। এখানকার লবন পানিতেই আমি বেড়ে উঠেছি। এই জনপদের মাটিতে মিশে আছে আমার শৈশব কৈশরের দুরন্তপনা। যে কারণেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমাকে মনোনীত করেছে। আমি বিজয়ী হলে দলের পরিকল্পিত রাষ্ট্র পরিচালনার পাশাপাশি স্থানীয় সমস্যা সুদুর প্রসারী উন্নয়ন ঘটানো হবে।

একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা নিরসন ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দিনব্যাপী পাইকগাছার চাঁদখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগকালে তিনি এ সব কথা বলেন।