বাগমারা (রাজশাহী) সংবাদদাতা: রাজশাহীর বাগমারায় ঘন কুয়াশা আর হাড়কাঁপানো প্রচন্ড শীতে কাঁপছে বাগমারা ও তার পার্শ¦বর্তী জনপদ। গত ৩ দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলেনি। দিন ভর বৃষ্টির মত কুয়াশা পড়ছে। প্রচন্ড ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। উত্তরে হিমেল হাওয়া আর কন কনে ঠান্ডায় দিন যাপনে কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে দিনমজুর, গরীব ও অসহায়দের দিন যাপনে অতি কষ্টে চলছে। বয়স্কদের মতে কখনও তারা এমন অবস্থা আর শীত দেখেননি। দিনভর সূর্য্যরে মুখ দেখা মিলছে না। প্রতিনিয়তই বাড়ছে হাড়কাঁপানো শীত। হাত-পা কাঁপছে শীতে জবুথবু মানুষ। উপজেলার বালানগর গ্রামের বয়োবৃদ্ধ মহোরী আবেদ আলী বলেন, তার জীবনে কখন এমন শীত। এছাড়া ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠান্ডার কারণে এবার বোরো ধানরে বীজতলা নিয়ে অনকেটায় বিপাকে পড়েছেন এলাকার কৃষকরা। চলমান তীব্র শৈত্য প্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় অনেকটায় নষ্টরে পথে এসব বীজতলা। দেখা দিয়েছে নানা ধরনরে রোগ বালাই। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে বীজতলা ও চারা রক্ষায় দেওয়া হচ্ছে নানা ধরনে পরার্মশে কাজে আসছেনা। এতে করে নিজের জীবন ও ক্ষেতের ফসল নিয়ে কৃষকরা দিশেহার হয়ে পড়েছেন। উপজেলার বালানগর গ্রামের বয়োবৃদ্ধ মৎস্যজীবি আবেদ আলী বলেন, তার জীবনে কখন এমন শীত দেখেনি। তার মতে স্বরণকালের ঠান্ডা এবারে এই এলাকায় দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ সময় নিয়ে ঠান্ডায় তিনি ঘর থেকে বের হতে পারছেন না বলে জানান।

এদিকে একই গ্রামের কৃষক কাজেম আলী, এরশাদ আলী, মফিজ উদ্দিনসহ অনেকে জানান, অতিরিক্ত শীত ও ঘন কুয়াশায় এক দিকে যেমন জনজীপন বিপর্যয় ঘটছে, তেমনি ক্ষেতের ফসল নষ্ট হতে বসেছে। তারা জানান, গত ৩/৪ দিন ধরে ঘনকুয়াশা আর তীব্র শৈত্য প্রবাহে ধানের বীজতলায় দেখা হলুদ ধরনরে রোগ, যাতে কোন প্রকার ওষুধ দিয়ে কাজ হচ্ছে না। একই ভাবে ঘন কুয়াশায় পান ও আলুর গাছ নষ্ট হবার আশংকায় করছেন এলাকার কৃষকরা।