খুলনা-৪ আসনের (রূপসা, তেরখাদা, দিঘলিয়া) বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল তার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় রূপসা উপজেলার আইচগাতী গ্রামস্থ তার নিজ বাসভবন চত্বরে ৭৪ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। ইশতেহারে তিনি উল্লেখ করেন, ভৈরব নদের উপর ২য় সেতু নির্মাণ করে খুলনা শহরের সঙ্গে রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন। অসমাপ্ত নগরঘাট ও রেলগেট সেতু নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা। আতাই ও ভৈরব নদী ভাঙন রোধ ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ। পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা পাট গুদামে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গড়ে তোলা। জলাবদ্ধ জমির পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে চাষযোগ্য করা। জনবহুল দেউড়া খেয়াঘাট সংস্কার। সারোয়ার খান ডিগ্রি কলেজ (সেনহাটি, দিঘলিয়া) সরকারিকরণ। যুব সমাজকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করতে মাঠ সংস্কার ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। স্টার জুট মিল চালুকরণ, তেরখাদার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন, ভট্টাচার্য (হার্ডবোর্ড) খেয়াঘাটে ফেরি ব্যবস্থা। শ্রমিক সমাজের উপযুক্ত মজুরি নিশ্চিত করা। হাজীগাঁও মিনি স্টেডিয়াম আধুনিকীকরণ। কবি কৃষ্ণচন্দ্র ইনস্টিটিউটকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত করা। নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি। ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতির মাধ্যমে সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত। কৃষকদের জন্য বিনামূল্যে বীজ, সার ও কীটনাশক। তেরখাদায় মিনি স্টেডিয়াম ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। পর্যাপ্ত ড্রেন নির্মাণ করে পানি নিষ্কাশন। নারীর উন্নয়নে শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত। দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আধুনিক হাসপাতালে রূপান্তর। প্রতিটি ওয়ার্ডকে চাঁদা, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করা। নন্দনপুর-রহিমনগরে স্থায়ী সেতু নির্মাণ। রূপসায় ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন। রূপসা ফেরিঘাট সম্পূর্ণ টোলমুক্ত করা।

তিনি উল্লেখ করেন, আধুনিক বাসস্ট্যান্ড ও সিএনজি স্ট্যান্ড নির্মাণ। সেনের বাজারে আধুনিক শপিংমল। পূর্ব রূপসায় নতুন শপিংমল। পালেঘাটা বাজার আধুনিকায়ন। রূপসায় ১০০ শয্যার আধুনিক হাসপাতাল। রূপসায় মিনি স্টেডিয়াম। সকল বন্ধ খাল পুনঃখনন। আটঘরিয়া নদী খনন করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা। আধুনিক সুইচগেট নির্মাণ। নদীভাঙন কবলিত এলাকায় স্থায়ী বাঁধ। রূপসায় কেন্দ্রীয় মসজিদ নির্মাণ। রূপসায় কেন্দ্রীয় মন্দির নির্মাণ। মাদরাসা, স্কুল ও কলেজ পর্যায়ক্রমে সরকারি করণ। ইপিজেড ও শিল্প অঞ্চল স্থাপন। আইটি ও ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং সেন্টার। যুবকদের গ্রাফিক্স, ওয়েব, ডিজিটাল মার্কেটিং প্রশিক্ষণ। ইউনিয়ন পর্যায়ে ডিজিটাল লার্নিং সেন্টার। নবী করিম (সা.) এর আদর্শে সমাজ গঠন। তেরখাদার জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল ও নদী খনন। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও কোল্ড স্টোরেজ।