বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের সফলতা নির্ভর করে কর্মীদের নৈতিকতা, আদর্শিক দৃঢ়তা এবং চরিত্রের উপর। একজন কর্মী যদি নিজেকে আদর্শবান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে না পারে, তবে সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে সৎ, দক্ষ এবং যোগ্য নেতৃত্ব তৈরির বিকল্প নেই। এজন্য প্রত্যেক কর্মীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে আত্মশুদ্ধি, জ্ঞানার্জন এবং দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। প্রধান অতিথি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও যশোর জেলা সহকারী সেক্রেটারি মো:বেলাল হোসেন তার বক্তব্যে কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলে।

তিনি কর্মীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনা দিয়ে আরো বলেন, সংগঠনের প্রতিটি কর্মীকে সময়ের মূল্য দিতে হবে, নিয়মিত অধ্যয়ন করতে হবে এবং পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করতে হবে। ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ইসলামী আদর্শের প্রতিফলন ঘটাতে পারলেই একটি কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেশাজীবী থানার উদ্যোগে বাছাইকৃত কর্মীদের নিয়ে একদিনব্যাপী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে প্রাচ্য সংঘ অডিটোরিয়ামে এ শিক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হয়।

পেশাজীবী থানার সভাপতি খন্দকার রশিদুজ্জামান রতনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আবু ফয়সালের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত শিক্ষা শিবিরে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও যশোর জেলার সহকারী সেক্রেটারি মোঃ গোলাম কুদ্দুস ও আবু মাহাদী।

বিশেষ অতিথি অধ্যাপক গোলাম কুদ্দুস তার বক্তব্যে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দক্ষতা ও আদর্শের সমন্বয় ঘটিয়ে একটি শক্তিশালী নেতৃত্ব গড়ে তুলতে শিক্ষা শিবিরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন পেশাজীবী থানার অফিস সেক্রেটারি মোঃ গাউসুল আজম, মোঃ রেজওয়ান হোসেন, সৈয়দ শামসুল ইসলাম, হাফেজ আজমল হোসাইন, অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ, মাস্টার জাকির হোসেন, ডাঃ শরীফুজ্জামান, ডঃ মেসবাহ উদ্দিন ও হাসানুজ্জামানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

শিক্ষা শিবিরে অংশগ্রহণকারী কর্মীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন তাদের আদর্শিক ও সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।