পাবনা সংবাদদাতা : মানসিক হাসপাতাল পাবনায় আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে জনবল নিয়োগে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে জানা যায়, হাসপাতালে আউটসোর্সিং পদ্ধতির মাধ্যমে জনবল নিয়োগের জন্য হাসপাতালের চিকিৎসক তত্ত্বাবধায়ক কে সভাপতি করে, আবাসিক মেডিকেল অফিসার কে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি মূল্যায়ন কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি কয়েক দফা বৈঠকে যাচাই-বাছাই করে আবেদনকৃত কোম্পানিগুলোর মধ্যে মেসার্স মুগ্নি সার্ভিস লিমিটেড মূল্যায়ন কমিটির পয়েন্ট রেটিং অনুযায়ী ৬৬ পেয়ে প্রথম হিসেবে নির্বাচিত হয় এবং ফিরোজ এন্টারপ্রাইজ দ্বিতীয় হয়। কমিটির সকল সদস্যের সর্বসম্মতিক্রমে মেসার্স মুগনি সার্ভিস লিমিটেডকে কাজ প্রদানে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করে । এ সংক্রান্ত নথিপত্র, দরপত্র মূল্যায়ন প্রতিবেদন এবং অন্যান্য কাগজপত্র ক্রয়কারি, পরিচালক, মানসিক হাসপাতাল পাবনা বরাবর প্রেরণ করে। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা যায় মূল্যায়ন কমিটির সিদ্ধান্ত প্রথম স্থান অধিকারি মেসার্স মুগনি সার্ভিস লিমিটেডকে বাদ দিয়ে মূল্যায়ন কমিটির সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী ফিরোজ এন্টারপ্রাইজকে হাসপাতালের পরিচালক ডাক্তার সাফকাত ওয়াহিদ কাজ দিয়েছেন। হাসপাতালের পরিচালক ডাক্তার সাফকাত ওয়াহিদের এ ধরনের একক স্বেচ্ছাচারিতা মূল্যায়ন কমিটির সদস্য এবং হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে নানান রকমের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে কার্যাদেশ পাওয়ার পর ফিরোজ এন্টারপ্রাইজ অতি দ্রুত যেসব লোক নিয়োগ দিয়েছে তাদের অনেকেই দরপত্রে আবেদন ছিল না। অর্থাৎ আবেদন করেছে একজন নিয়োগ দিয়েছে অন্যজনকে, এক্ষেত্রে মূল্যায়নে যোগ্যতাধারী ব্যক্তি ব্যাতিরেখে অন্য ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এখানেও প্রতারণা করা হয়েছে। হাসপাতালের পরিচালক ডাক্তার সাফকাত ওয়াহিদ মূল্যায়ন কমিটির সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে বড় ধরনের অনিয়মের মাধ্যমে মানসিক হাসপাতাল পাবনাকে দুর্নীতিগ্রস্ত করেছে যা ইতিমধ্যে সর্ব মহলে আলোচিত হয়েছে।
সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এ ধরনের অনিয়মের কারণে হাসপাতালে কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে সমালোচিত হচ্ছে। অভিজ্ঞ মহলের আশা এ ধরনের দুর্নীতি রোধে সরকারের সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।