চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে টানা শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। এই শৈত্য প্রবাহ কখনো মাঝারি, আবার কখনো মৃদু। কনকনে শীত, ঘনকুয়াশা আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় নাকাল হয়ে পড়েছে জেলার স্বাভাবিক জনজীবন। রাত থেকে শুরু হচ্ছে শীতের প্রভাব আর হিমেল হাওয়া। গত দু'দিন সূর্যের দেখা মিললেও কনকনে শীতে দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যাওয়া মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। এতে সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কাজ ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না। দুর্বিষহ দিন অতিবাহিত করছে দিন মজুররা। কর্মহীন দিন কাটাতে হচ্ছে তাদের।
চুয়াডাঙ্গার প্রথম শ্রেণি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, গতকাল রোববার সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৮৮ শতাংশ। এর ৩ ঘন্টা আগে সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছির ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এ সময়ের বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ। প্রচন্ড শীতে ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকায় অনেকে বাধ্য হয়ে হেঁটে যাতায়াত করছে। এতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিতি কমে গেছে। শীতের প্রভাব পড়েছে ব্যবসা বাণিজ্যেও। ব্যবসায়ীরা জানান, বেলা ১১টার আগে তেমন ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না। একই সঙ্গে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে লেনদেনও কমে গেছে।