শিবালয় (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা: মানিকগঞ্জের ঘিওরে শীতের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথেই উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের নিম্ন আয়ের মানুষ ও দরিদ্রদের ভরসা কমদামের ফুটপাতের শীতবস্ত্রের দোকান। ভোরের হালকা কুয়াশা আর সন্ধ্যার ঠান্ডা বাতাস জানিয়ে দিচ্ছে শীত এবার দরজায় পুরোপুরি কড়া নাড়ছে। যার যার সাধ্যমত শীতবস্ত্র ক্রয় করছে। ফুটপাতের দোকান গুলোতে মাঝে মধ্যে ভাল কাপড়চোপর পাওয়া যায়। যা দেখতে একেবারেই নতুনের মত। তাই এসব দোকানে মধ্যবিত্ত ও ধনীদের আনাগোনা দেখা যায়। কয়েক দিন যাবৎ শীত পরতে শুরু করেছে। শীতের কারনে নতুন শীতবস্ত্রের পাশাপাশি পুরাতন শীতবস্ত্র প্রচুর পরিমানে বিক্রি হচ্ছে। ঘিওর পুরাতন গরু হাটায় বুধবার হাটে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শীত বস্ত্র বিক্রি হয়। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরা কাপর চোপর কিনতে ভির করেছেন।

ঘিওর মেইন রোড, মোহাম্মদ আলী সড়ক, বাজার মার্কেটসহ বিভিন্ন বাজার ও ফুটপাতে টেবিল পেতে অথবা ভ্যান গাড়িতে অস্থাায়ী ভাবে দোকানে শিশুদের, বয়স্ক মহিলাদের সোয়েটার ও চাঁদর বিক্রি হচ্ছে। অনেক জায়গায় হাঁকডাক করে এসব কাপড় বিক্রি করছেন হকাররা।

মেয়েদের সোয়েটার মান ভেদে ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা, ছেলেদের জ্যাকেট ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। ছোটদের পোশাক ১০০ থেকে ১৫০ টাকা মাফলার ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং টুপি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

ঘিওর হাটের ফুটপাতের দোকানদার জয়নাল বলেন, ২০/২২ বছর যাবৎ ঘিওর, বরংগাইল, তরাসহ বিভিন্ন হাট বাজারে শীতের শুরুতেই শীতকালীন পোশাক বিক্রি করছেন। ঢাকা, নারায়নগঞ্জ ও গাজিপুর থেকে কাপড়চোপর কিনে এনেছেন। চলতি সপ্তাহে শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় কাপড় চোপর বিক্রি বেড়ে গেছে। ফুটপাতে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় শিশুদের পোশাক।

এ ছাড়া জ্যাকেট, সোয়েটার, টুপি, গেঞ্জি, মাফলার মোজা, কম্বল ও উলের তৈরি নানা ধরনের পোশাক কিনছে ক্রেতারা। ফুটপাতে শীতের পোশাক কিনতে আসা গোলাপ নগর গ্রামের রুপচান, কালাম, সোহেল, জমিলা বেগম বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে ভোরে শীতের প্রকোপ বাড়তে থাকে। তাই বাচ্চাদের জন্য শীতের পোশাক কিনতে হচ্ছে। তবে তুলনামূলোক দাম একটু বেশি।

ঘিওর রামকান্তপুর গ্রামের জাহানারা বলেন, ঘিওর পুরাতন কাপর চোপর হাটে আমি একটু সকালে এসছি। সকালে আসলে ভাল কাপড় চোপর পাওয়া যায়। নি¤œ বিত্ত ও মধ্যবিত্ত উভয় ¤্রনেীর লোকজন পরিবারের সদস্যদের জন্য কাপর চোপড় কিনছেন। দোকানদাররা কেনাবেচায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার দাম বেশি।