প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, আমাদের প্রবাসীদের মধ্যে যাদের লাশ বিদেশ থেকে বাংলাদেশে আসবে লাশ ফ্রিজিংয়ের ব্যবস্থা করে বিমানবন্দর থেকে তাদের নিজ নিজ বাড়িতে প্রেরণের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে। আজকের এ ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স উদ্বোধন নিঃসন্দেহে একটি মহতী উদ্যোগ। তিনি বলেন, পূর্বে তিনটি অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে এ কাজটি করা হতো এখন এর সাথে আরো দু’টি অ্যাম্বুলেন্স যুক্ত হলো। এর মাধ্যমে প্রবাসীদের লাশ বিনামূল্যে প্রেরণের বিষয়টি এখন শুধু ঢাকা বিমানবন্দর থেকে নয়, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিমানবন্দর থেকেও প্রেরণ করা হবে।

গত মঙ্গলবার ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ ভবনে প্রবাসী কর্মীর মৃতদেহ পরিবহনের অ্যাম্বুলেন্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে আমাদের যে নির্বাচনি ইশতেহার দেয়া আছে আমরা তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করব।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আমরা প্রবাসীদের কল্যাণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অংশীজনদের সাথে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আগের তিনটি লাশবাহী ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সের পাশাপাশি আরো দুটো অ্যাম্বুলেন্স যুক্ত হওয়ায় অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে প্রবাসীদের লাশ বিনামূল্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো হবে। এর মাধ্যমে প্রবাসী পরিবারের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বিদেশ যাওয়ার পূর্বে প্রবাসীদের বিএমটিতে অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এ মাধ্যমে প্রবাসীদের মৃত্যুর ক্ষেত্রে বিমানবন্দরে লাশের পরিবারকে ৩৫ হাজার টাকা এবং জনশক্তি ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মাধ্যমে বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে ১৩ লাখ টাকার ফা- পেতে সুবিধা হবে।

এসময় অনুষ্ঠানের আয়োজক ওয়েজ আর্নাস বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মোঃ গোলাম সারওয়ার ভূঁইয়া তাঁর বক্তৃতায় উল্লেখ করেন এই দু’টি অ্যাম্বুলেন্স সংযুক্তির ফলে প্রত্যেক বিমানবন্দর থেকে সরকারিভাবে লাশ প্রবাসীদের নিজ নিজ বাড়িতে প্রেরণ করা হবে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্ল্যাহ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় এবং ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।