খুলনা নিউ মার্কেট ও বায়তুন নুর মসজিদ এলাকায় মসজিদ কমপ্লেক্স এর কো-চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেনের অফিসে প্রবেশ করে ভাংচুর ও বিশ হাজার টাকা লুট এবং পরে গ্যারেজ ভাংচুর ও মাসিক ত্রিশ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে নালিশী আদালতে আরজি দাখিল করেন ফারুক হোসেন। সোমবার দুপুরে আরজিটি গ্রহণ করে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আগামী ১২ জুলাইয়ের মধ্যে ওসি সোনাডাঙ্গাকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন। মামলার বিবাদীরা হলেন-নগরীর ছোট বয়রা নুরনগর বিশ্বাস বাড়ির আব্দুস সাত্তার বিশ্বাসের ছেলে রুবেল বিশ্বাস (৪৮), সোনাডাঙ্গা সরদার পাড়ার শেখ মোস্তাক আলীর ছেলে মোঃ তারেক শেখ (৩৯) ও নিউ মার্কেট মাছ বাজার এলাকার মৃত আবুল হোসেন গাজীর ছেলে মো. মোসলেম উদ্দিন ওরফে কিনা গাজী।

নালিশী আরজী সূত্রে জানা যায়, নগরীর বায়তুন নুর মসজিদ কমপ্লেক্স এর নির্বাহী পরিষদের কো-চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের টেন্ডারে কেডিএ নিউ মার্কেট সংলগ্ন এলাকা এবং বায়তুন নুর জামে মসজিদ কমপ্লেক্স এর চারিদিকে সাইকেল গ্যারেজ, মোটরসাইকেল পার্কিং ও কার পার্কিংয়ের কাজ করে আসছেন। গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৭টার দিকে গ্যারেজ/মোটর সাইকেল পার্কিং গাড়ী পার্কিং এবং নির্ধারিত টোল আদায় করাকালে বাদীর অনুপস্থিতিতে রুবেল বিশ্বাস, তারেক শেখ ও কিনা গাজীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮/৯জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী নুর জামে মসজিদের নীচে ফারুক হোসেনের অফিস কক্ষের তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে বাদীর নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং অফিসের চেয়ার ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করেন এবং টেবিলের ড্রয়ার ভেঙ্গে ২০ হাজার টাকা নিয়া যায়। পরবর্তীতে ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত পৌণে ৮টার দিকে আবারও রুবেল বিশ^াস, তারেক শেখ ও কিনা গাজীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮/৯ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্যারেজ, মোটরসাইকেল পার্কিং, কারপার্কিং এর নির্দিষ্ট সীমানা তছনছ করে এবং তারা শক্তির মহড়া প্রদর্শন করে উচ্চস্বরে বলে এখানে গ্যারেজের মাধ্যমে টাকা আদায় করতে হইলে প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা করে চাঁদা দিতে হইবে। অন্যথায় ফারুক হোসেনরে লাশ ফেলে দেয়া হবে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী ও ঠিকাদার ফারুক হোসেন বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা আমলী আদালতে রুবেল বিশ^াস, তারেক শেখ ও কিনা গাজীর বিরুদ্ধে নালিশী পিটশন দাখিল করেছেন (নং- সিআর-২১৯/২৬)।