নীলফামারী সংবাদদাতা: নীলফামারীতে রামগঞ্জ ট্রাজেডী তথা বিএনপি নেতা হত্যা মামলা ও জুলাই মামলার এজাহার নামীয় আসামী এক ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপিতে যোগদান করেছেন। বিএনপিতে যোগ দেয়া ইউপি চেয়ারম্যান হলেন, সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি হেদায়েত আলী শাহ ফকির সহ তার পরিষদের অপরাপর ৯ সদস্য।
মঙ্গলবার দুপুরে (২০জানুয়ারি) জেলা শহরের পৌর বাজারস্থ বিএনপি কার্যালয়ে নীলফামারী-০২ আসনে বিএনপি প্রার্থী প্রকৌশলী
শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনের হাতে ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিএনপিকে যোগ দেন তারা।
হেদায়েত আলী শাহ ফকিরের বিরুদ্ধে মামলা সমূহ হল, রামগঞ্জ ট্রাজেডি হত্যা মামলার এজহার নামীয় আসামী। মামলা নং জিআর ৩২০/২৪, সদর থানা। বিগত ৪ আগস্টে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতার উপর হামলা মামলার এজহার নামীয় আসামী। মামলা নং জিআর ২৬৯/২৪, সদর থানা।
বিগত ৪ আগষ্ট জেলা বিএনপির কার্যালয়সহ শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোেগ লুটতরাজ সন্ত্রাসী কর্মকা-ের জন্য যুবদল নেতা বাবলার দায়েরকৃত মামলা, নং জিআর ২৬৭/২৪, সদর থানা। এ ছাড়াও তার নামে আরও অনেক মামলা রয়েছে বলে সুত্র জানায়।
যোগদান শেষে শুভেচ্ছা বক্তব্যে ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকির বলেন, আমরা গর্বিত তুহিন ভাইয়ের মত একজন প্রার্থী পেয়ে। তিনি আমাদের জন্য আর্শীবাদ হয়ে এসেছেন। নীলফামারীর উন্নয়ন আমরা চাই। এজন্য তুহিন ভাইয়ের কোন বিকল্প নেই। তার হাত ধরে এ এলাকায় পরিবর্তন হক প্রধান বাচ্চু, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের জেলা আহবায়ক প্রবীর গুহ রিন্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বলেন, নীলফামারীকে নিরক্ষর মুক্ত জেলা হিসেবে গড়তে চাই। শিক্ষানগরী, স্বাস্থ্যনগরী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। শুধু ইপিজেডে নয় আরো এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, দলমত নির্বিশেষে নীলফামারীর উন্নয়নে আপনাদের সকলকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। এজন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। নির্বাচিত হলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে নীলফামারী জেলাকে রংপুর বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। যোগদানকারীদের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন মশিউর রহমান, মজিবুল হক, বিজয় চন্দ্র, আহাদ আলী, মোহাম্মদ মজনু, মনি বেগম, আঞ্জুআরা বেগম, মমতা বেগম। সভা শেষে যোগদানকারীদের মিষ্টিমুখ করান প্রকৌশলী তুহিন।