সাদুল্লাপুর সংবাদদাতা : চুলার আগুনে ঝলসে যাওয়া সেই গৃহবধূকে অবশেষে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে বিছানায় শুয়ে আছেন তিনি দগ্ধ শরীর মোড়া, চোখ বন্ধ, নিঃশ্বাস ভারী। প্রতিটি মুহূর্তেই তার যন্ত্রণার মাত্রা বাড়ছে।
গত ১০ জানুয়ারি শনিবার সকালে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের তরফমহদী উত্তরপাড়া গ্রামে রান্নার সময় অসতর্কতাবশত পড়নের কাপড়ে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তেই তার শরীরের বড় একটি অংশ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়। দারিদ্র্য ও অর্থাভাবে শুরুতে কোনো উন্নত চিকিৎসা সম্ভব হয়নি। পরে অবস্থার অবনতি হলে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে টাকার অভাবে অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে সাধারণ বাসে করেই তাকে রংপুর মেডিকেলে নিয়ে আসা হয় বৃহস্পতিবার দুপুরে। এই গৃহবধূর সংসারে রয়েছে দুই মেয়ে ও এক ছেলে। ছোট ছোট শিশুদের রেখে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মায়ের জন্য দিন কাটছে কান্না আর আতঙ্কে। স্বামী, পেশায় কাঠমিস্ত্রি, চিকিৎসার খরচ জোগাতে সম্পূর্ণ অসহায়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল চিকিৎসা প্রয়োজন। এ অবস্থায় পরিবারটি প্রশাসন ও সমাজের হৃদয়বান মানুষের কাছে জরুরি মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে।
একটু সহায়তা পেলে একটি মায়ের জীবন বাঁচতে পারে, বাঁচতে পারে তিনটি শিশুর ভবিষ্যৎ।