ইটের দালান আর যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি মুছতে মানুষের গন্তব্য এখন উত্তরের ‘মিনি কক্সবাজার’ খ্যাত সারিয়াকান্দি। পঞ্জিকার পাতায় বসন্তের আগমনের সাথে সাথেই যমুনার বিশাল বালুচর আর প্রমত্তা নদীর জলরাশি যেন এক মায়াবী রূপ ধারণ করেছে। সেই রূপের সুধা পান করতে সারিয়াকান্দির যমুনা পাড়ে এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই।

ধুলোবালি নয়, বালুচরেই বসন্তের গান শহরের কোলাহল ছেড়ে আসা মানুষের ঢল নেমেছে কালিতলা গ্রোয়েন বাঁধ ও প্রেম যমুনা ঘাটে। বসন্তের মিষ্টি রোদে যমুনার জল যখন চিকচিক করে ওঠে, তখন পর্যটকদের চোখেমুখে তৃপ্তির আভা স্পষ্ট। কেউ ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে মাঝনদীর জনশূন্য চরে গিয়ে মেতে উঠছেন উল্লাসে, কেউবা প্রিয়জনের হাতে হাত রেখে হাঁটছে নদীর তীরে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বসন্তের প্রথম প্রহরে তরুণীদের পরনে বাসন্তী ও লাল রঙের শাড়ি, আর মাথায় তাজা ফুলের মুকুট। যমুনার তীরে দাঁড়িয়ে প্রিয়জনের সাথে ছবি তোলা আর সেলফিতে মেতে ওঠার দৃশ্যটি এখন নিত্যদিনের। সেখানে পর্যটকদের হাসি-ঠাট্টার শব্দ যেন বেশি জোরালো।

ঘুরতে আসা এক দম্পতি জানান, যমুনার এই খোলা বাতাস আর শান্ত চরে বসন্ত কাটানোর অভিজ্ঞতা শহরের পাঁচতারা হোটেলের চেয়েও বেশি আনন্দদায়ক। এখানে প্রকৃতির সাথে একাত্ম হওয়া যায়।

স্থানীয়রা মনে করছেন, পর্যটন এলাকা হিসেবে সারিয়াকান্দির পরিকল্পিত উন্নয়ন করা গেলে এটি বগুড়ার মানচিত্রে আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। যমুনার এই বিশালতাকে কাজে লাগিয়ে বিনোদনের পরিধি বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

বিকেলের সূর্য যখন যমুনার ওপারে হেলে পড়ে, তখন আকাশের সিঁদুর রাঙা আভা আর নদীর বুক চিরে বয়ে চলা নৌকার সারি এক অপার্থিব দৃশ্যের অবতারণা করে। বসন্তের এই মাতাল সমীরণে যমুনার পাড় যেন বলছে—জীবন সুন্দর, যদি সেখানে প্রকৃতির একটু ছোঁয়া থাকে। সারিয়াকান্দিতে পর্যটনের নতুন জোয়ার

সারিয়াকান্দি সংবাদদাতা: ইটের দালান আর যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি মুছতে মানুষের গন্তব্য এখন উত্তরের ‘মিনি কক্সবাজার’ খ্যাত সারিয়াকান্দি। পঞ্জিকার পাতায় বসন্তের আগমনের সাথে সাথেই যমুনার বিশাল বালুচর আর প্রমত্তা নদীর জলরাশি যেন এক মায়াবী রূপ ধারণ করেছে। সেই রূপের সুধা পান করতে সারিয়াকান্দির যমুনা পাড়ে এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই।

ধুলোবালি নয়, বালুচরেই বসন্তের গান শহরের কোলাহল ছেড়ে আসা মানুষের ঢল নেমেছে কালিতলা গ্রোয়েন বাঁধ ও প্রেম যমুনা ঘাটে। বসন্তের মিষ্টি রোদে যমুনার জল যখন চিকচিক করে ওঠে, তখন পর্যটকদের চোখেমুখে তৃপ্তির আভা স্পষ্ট। কেউ ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে মাঝনদীর জনশূন্য চরে গিয়ে মেতে উঠছেন উল্লাসে, কেউবা প্রিয়জনের হাতে হাত রেখে হাঁটছে নদীর তীরে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বসন্তের প্রথম প্রহরে তরুণীদের পরনে বাসন্তী ও লাল রঙের শাড়ি, আর মাথায় তাজা ফুলের মুকুট। যমুনার তীরে দাঁড়িয়ে প্রিয়জনের সাথে ছবি তোলা আর সেলফিতে মেতে ওঠার দৃশ্যটি এখন নিত্যদিনের। সেখানে পর্যটকদের হাসি-ঠাট্টার শব্দ যেন বেশি জোরালো।

ঘুরতে আসা এক দম্পতি জানান, যমুনার এই খোলা বাতাস আর শান্ত চরে বসন্ত কাটানোর অভিজ্ঞতা শহরের পাঁচতারা হোটেলের চেয়েও বেশি আনন্দদায়ক। এখানে প্রকৃতির সাথে একাত্ম হওয়া যায়।

স্থানীয়রা মনে করছেন, পর্যটন এলাকা হিসেবে সারিয়াকান্দির পরিকল্পিত উন্নয়ন করা গেলে এটি বগুড়ার মানচিত্রে আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। যমুনার এই বিশালতাকে কাজে লাগিয়ে বিনোদনের পরিধি বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

বিকেলের সূর্য যখন যমুনার ওপারে হেলে পড়ে, তখন আকাশের সিঁদুর রাঙা আভা আর নদীর বুক চিরে বয়ে চলা নৌকার সারি এক অপার্থিব দৃশ্যের অবতারণা করে। বসন্তের এই মাতাল সমীরণে যমুনার পাড় যেন বলছে—জীবন সুন্দর, যদি সেখানে প্রকৃতির একটু ছোঁয়া থাকে।