কারিমুল হাসান, ধুনট, সংবাদদাতা
বগুড়ার ধুনটে বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় জামায়াতের সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬ টার দিকে উপজেলার এলাঙ্গী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল করিম বাদি হয়ে বিএনপির ১৪ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও অর্ধশতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
হামলায় আহতরা হলেন, এলাঙ্গী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি শৈলমারী গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে আইয়ুব আলী (৫০), তছের আলীর ছেলে মাসুদ রানা (৪৯), তারাকান্দি গ্রামের আব্দুস ছামাদের ছেলে জিয়াউর রহমান (৪৫), আলাউদ্দিনের ছেলে জিয়াউর রহমান ঠান্ডু (৪৩), রাঙ্গামাটি গ্রামের জাবেদ আলীর ছেলে আবু বক্কার (৪৮), ছোহরাব হোসেনের ছেলে এলাঙ্গী ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি সামিউল ইসলাম ছনেট (৩০), শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি রবিউল ইসলাম (৪৩)। আহতদের মধ্যে সামিউল ইসলাম ছনেটকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতদের ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। খবর পেয়ে ঘটনার দিনই আহতদের সাথে সাক্ষাত করেন বগুড়া-৫ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব দবিবুর রহমান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামায়াতের নেতাকর্মীরা শনিবার সন্ধ্যায় এলাঙ্গী বাজারে রেখে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণাকালে বিএনপি নেতাকর্মীরা বাধা দেন। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এসময় কথা-কাটাকাটি একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে জামায়াতের সাত নেতাকর্মী আহত হন।
এলাঙ্গী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আইয়ুব আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিএনপি জামায়াতের কোন নেতাকর্মীদের উপর বিএনপি হামলা করেনি। জামায়াতের নেতাকর্মীরাই স্থানীয় চিহ্নিত আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে নির্বাচনী বিধিমালা লঙ্ঘন করে ভোট চাচ্ছিলেন। বিএনপির বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে থেকে গুজব ছড়াচ্ছে।
ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, বিএনপি জামায়াতের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এঘটনায় রাতেই থানায় একটি মামলা হয়েছে।