নান্দাইল (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা: ময়মনসিংহের নান্দাইলে হঠাৎই এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের চরম সঙ্কট দেখা দিয়েছে। উপজেলার কোথাও কোন ডিলার বা পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের দোকানেও পাওয়া যাচ্ছেনা কোন ধরনের এলপিজি গ্যাস। এতে করে রেস্টুরেন্ট, হোটেল সহ বাসা-বাড়িতে ব্যবহারকারী সাধারণ গ্রাহকরা পড়েছেন চরম বিপাকে। একাধিক সূত্রে জানাগেছে, নান্দাইল্ উপজেলায় বেশ কয়েকজন এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের ডিলার রয়েছেস। কিš‘ ডিলারদের কাছেও কোন ধরনের এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার নেই বলে খুচরা বিক্রেতারা তা গ্রাহকদের নিকট বিক্রি করতে পারছেন না। তবে কোন কোন বিক্রেতা তা গোপনে বেশী টাকায় এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করছেন বলে জানা গেছে। নান্দাইল চৌরাস্তা, নান্দাইল পুরাতন বাজার, নান্দাইল নতুন বাজার, বাকচান্দা বাজার ও কানারামপুর বাজার সহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে কোন খুচরা বিক্রেতার দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যায়নি। তবে গ্যাস নেই এরকম অনেক সিলিন্ডার পড়ে থাকতে দেখা গেছে। গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারকারী সাধারণ গ্রাহক বাদশা মিয়া ও দেলোয়ার হোসেন সহ আরও অনেকে জানান, এই শীতের সময়ে এলপিজি গ্যাস ছাড়া বাসা-বাড়ির রান্না-বান্না বা বিভিন্ন কাজে তা বেশী সহায়ক হলেও এখন বাজারে গ্যাস নেই। ফলে অনেক পরিবার দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। বিশেষ করে বয়স্ক ও রোগীদের জন্য গরম পানি বা গরম খাবার তৈরি করতেও জ্বালানি সঙ্কট রয়েছে। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা জানান, গ্যাসের কিছুটা দাম বাড়ানোর কারণে গত একমাস ধরে কোন ধরনের এলপিজি গ্যাস সরবরাহ পাচ্ছি না। স্থানীয় ডিলারদের কাছেও গ্যাস সিলিন্ডার চেয়েও তা পাওয়া যাচ্ছে না। নান্দাইল বাজারের এলপিজি জি গ্যাস সিলিন্ডারের ডিলার অরবিন্দ পাল অখিল জানান, গ্যাস কোম্পানীগুলো তাঁরা গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ দিতে পারছে না। বর্তমানে সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ডিলার উত্তম কুমার সাহা বলেন, নান্দাইলে কোন ডিলার নেই, আমরা বাহিরের ডিলারের কাছ থেকে গ্যাস এনে বিক্রি করি। বর্তমানে সরবরাহ বন্ধ থাকায় সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এছাড়া গ্যাসের দাম বাড়ার কারণে একদিকে প্রশাসনের চাপ, আবার অন্যদিকে যাতায়াত খরচা সহ বিক্রিতে পোষে না। তাই গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রয়েছে।