বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ সংসদীয় আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মু. আতাউর রহমান সরকারের আম্মা নূরজাহান বেগম (৯০) গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১.৩৫ টায় কসবার নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তিকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা সহ নানাবিধ শারীরিক জটিলতায় ভূগছিলেন। তাঁর বয়স হয়েছিলো ৯০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি ৬ ছেলে ও ৩ মেয়ে সহ অসংখ্য আত্মীয়- স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমার স্বামী আব্দুল মান্নান মতি মেম্বার দীর্ঘ ২০ বছর ইউপি মেম্বারের দায়িত্ব পালন করেন, চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করলে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলেও কারচুপির মাধ্যমে উনাকে পরাজিত ঘোষণা করা হয় এবং তিনি ১৯৯৩ সালে ইন্তিকাল করেছেন।
মরহুমার নামাজে জানাজা গতকাল বাদ জুমা কসবা থানা ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে মরহুমাকে পারিবারিক গোরস্তানে দাফন করা হয়। নূরজাহান বেগমের নামাজে জানাজায় স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ সহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। জানাজায় ইমামতি করেন মরহুমের কনিষ্ঠ সন্তান আতাউর রহমান সরকার।
শোকবাণী: নুরজাহান বেগম এর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান শোকবাণী দিয়েছেন।
শোকবাণীতে তিনি বলেন, নুরজাহান বেগম একজন গুণী ও পরহেজগার মহিলা ছিলেন। তিনি তাঁর সন্তানদের ইসলামী আদর্শে লালন-পালন করেছেন। আমি তাঁর ইন্তিকালে গভীর শোক প্রকাশ করছি।
শোকবাণীতে তিনি আরও বলেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাঁকে ক্ষমা ও রহম করুন এবং তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন। তাঁর গুনাহখাতাগুলোকে ক্ষমা করে দিয়ে নেকিতে পরিণত করুন। কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রত্যেকটি মঞ্জিলকে তাঁর জন্য সহজ, আরামদায়ক ও কল্যাণময় করে দিন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁকে জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন এবং তাঁর শোকাহত পরিবার-পরিজনদেরকে এ শোক সহ্য করার তাওফিক দান করুন। নূরজাহান বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।
এক যৌথ শোকবাণীতে মহানগরী নেতৃদ্বয় বলেন, মরহুমা নূরজাহান বেগম ছিলেন আবেদা,শরিফা এবং রত্মগর্ভা। তাঁর সন্তানরা ইসলামী আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। তিনি জীবনের শেষ দিনগুলোতে প্রায় সময়ে ইবাদাত-বন্দেগীতে সময় কাটাতেন। সর্বোপরি তিনি ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক। তার মৃত্যুতে আমরা একজন গর্বিতা মাকে হারালাম। নেতৃদ্বয় মরহুমার রূহের মাগফিরাত কামনা করে তাঁকে জান্নাতের আ’লা মাকাম দানের জন্য মহান আল্লাহ তা’য়ালার দরবারে দোয়া করেন। তাঁরা তার শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং সবরে জামিল ধারনের তাওফিক কামনা করেন।