প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য সচিব ও জামালপুর-৫ আসনের সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল সোমবার দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এতথ্য নিশ্চিত করেন। এদিকে একই আদালত অপর এক আদেশে পুলিশের সাবেক এডিসি শিবলী নোমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন।

এদিন দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক নাছরুল্লাহ হোসাইন অভিযোগ সংশ্লিষ্ট আবুল কালামের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে তথ্য পাওয়া গেছে। সুতরাং সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা প্রয়োজন।

এডিসি শিবলী নোমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা: স্বর্ণ চোরাচালান, ক্যাসিনো ব্যবসাসহ দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থাকায় পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) এসএম শিবলী নোমানের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। গতকাল সোমবার দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এতথ্য নিশ্চিত করেন। এদিন দুদকের পক্ষে সংস্থাটির উপসহকারী পরিচালক রুবেল হোসেন অভিযোগ সংশ্লিষ্ট শিবলী নোমানের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, শিবলী নোমানের বিরুদ্ধে স্বর্ণ চোরাচালান, ক্যাসিনো ব্যবসাসহ দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান চলমান। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, শিবলী নোমান এখনো দেশে অবস্থান করছেন এবং দেশত্যাগ করে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। সুষ্ঠু অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তার বিদেশ গমন রহিত করা একান্ত আবশ্যক।