বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘকাল ধরে মানুষ সুশাসন ও প্রকৃত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। আমরা কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয় বরং দৌলতপুরকে একটি ইনসাফ কায়েমকারী মডেল হিসেবে রূপান্তর করতে চাই। মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত হলে ইনশাআল্লাহ এবার দৌলতপুরের মানুষ সৎ-দক্ষও যোগ্য শিক্ষিত মানবিক নেতৃত প্রার্থীকেই বেছে নেবেন। তিনি বলেন, দৌলতপুরের কৃষি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ণে তার দল সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে। বিশেষ করে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান এবং চাঁদাবাজ, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনই হবে তার মূল অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, আপনাদের এই ভালোবাসা আমাকে অনুপ্রেরণা যোগায়। আমি আপনাদের পাশে থাকতে চাই এবং আপনাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চাই।” তিনি জনগণের প্রতি পরিবর্তনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। গতকাল বুধবার খুলনা-৩ আসনের দৌলতপুর থানার ৩নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন স্থানে গনসংযোগ চলাকালে তিনি এ সব কথা বলেন।

এ সময় তার সঙ্গে খুলনা মহানগরী ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলন, বিএল কলেজের সাবেক ভিপি জাহাঙ্গীর কবির, জামায়াত নেতা আজিজুর রহমান স্বপন, ডা. সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, মাওলানা সেলিম রেজা, হাসিবুর রহমান, মাওলানা হাবিবুর রহমান, আবরার জিহাদ, শরীফ আল নাঈম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

খুলনা-৩ আসনের এই এমপি প্রার্থী আরও বলেন, “আমার নির্বাচনী এলাকা খালিশপুর, দৌলদপুর, খানজাহান আলী ও আড়ংঘাটা এলাকায় ইতোমধ্যেই পেশিশক্তি ও অস্ত্রের মহড়া শুরু হয়েছে। কিন্তু আমরা ১৭ বছর ধরে প্রশাসনের দমন-পীড়নের মুখেও সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম, আছি। আমাদের ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না। যারা আল্লাহকে ভয় করে, তারা অন্য কারও ভয়ে বিচলিত হয় না।”

তিনি বলেন, “গত ১৭ বছর ধরে আমরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছি। ধৈর্যের পরীক্ষায় পাশ করেছি, ভবিষ্যতেও করব ইনশাআল্লাহ। তবে ‘ইমম্যাচিওর’ বা প্রস্তুতিহীন কোনো নির্বাচন মেনে নেব না। আমরা চাই ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’, যেখানে কোনো পক্ষ প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না।”