রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া উপজেলা ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১–৯ নম্বর ওয়ার্ড) সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী রয়হান সিরাজী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ( বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজন ও গণঅধীকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী হানিফুর রহমান সজীব এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বার) সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমিন আক্তারের কাছে প্রার্থীরা তাঁদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।
মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী রায়হান সিরাজী বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষকে সাথে নিয়ে শোষণহীন আগামীর বাংলাদেশ গঠনের অংশ হিসেবে দাঁড়িপাল্লার উর্বর ভূমি গঙ্গাচড়ায় বিজয়ের মাধ্যমে জনমানুষের সকল প্রত্যাশা পূরণ করবে ইনশাআল্লাহ।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজন বলেন, বাংলাদেশের মানুষের মাঝে ইতিমধ্যে একটি অনুভূতি কাজ করছে, সরকার গঠন করবে কোন দল। আমি সেই দল বিএনপিরই মনোনীত প্রার্থী। তাই আমি মনে করি রংপুর -১ এর মানুষও এবার ধানের শীষকে ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করে জাতীয় রাজনীতিতে ভূমিকা রাখবে ইনশাআল্লাহ।
গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী হানিফুর রহমান সজীব বলেন,গণঅধিকার পরিষদ মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য ২০১৮ সাল থেকেই আন্দোলন করে আসছে। অভূত্থ্যান পরবর্তী বাংলাদেশে তরুণ নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে আমাকে ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করবে বলে বিশ্বাস করি।
এনসিপি প্রার্থী আল মামুনের পক্ষে নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে মনোনয়ন জমা দেন তাঁর বড় ভাই মাহবুব হোসেন মালেক। তিনি বলেন, আমরা আল মামুনের পক্ষে শাপলা কলি মার্কার মনোনয়নপত্র জমা দিলাম। জোটের কারণে আসন সমোঝতার হিসাব দলের নীতি নির্ধারণী মহলের সিদ্ধান্তঃ মোতাবেক হবে। যদি আমার ভাইকে নির্বাচনের সুযোগ দেয়া হয়।
জনগণের মতামতের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে এই আসনে জাতীয় পার্টির স্থানীয় প্রার্থীর দাবি উঠে আসছিল।আমি মনে করি দল আমাকে মনোনীত করায় সেই দাবীটা পূরণ হয়েছে। এই আসনের ভোটাররা যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন, তাহলে তারা অবশ্যই আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার মাধ্যমে এলাকার উন্নয়ন করার সুযোগ করে দেবে। আমি নির্বাচিত হলে এলাকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করব এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখব ইনশাআল্লাহ ।