কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে নিহতের স্বজন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (৭ মার্চ) সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাবের সামনে শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান, তার তিন শিশু কন্যা ও এক ছেলেসহ পরিবারের সদস্য ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, কর্মস্থলে একজন শিক্ষককে নৃশংসভাবে হত্যা করা পুরো শিক্ষক সমাজের জন্য চরম উদ্বেগজনক। তারা এ হত্যাকান্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন, ঘাতক ফজলুসহ মামলার সব আসামিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। তা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানানো হয়।
এর আগে গত ৪ মার্চ বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের প্রধান আসমা সাদিয়া রুনা তার নিজ কক্ষে খুন হন। এ সময় ওই কক্ষ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দিনহাজিরার কর্মচারী ফজলুর রহমানকে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দুজনকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিলে আসমা সাদিয়া রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। আহত আহত ফজলুকে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান বাদী হয়ে কর্মচারী ফজলুর রহমানকে প্রধান আসামি করে সমাজ কল্যাণ বিভাগের সহকারি অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার ও সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান এবং সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এদিকে মামলার প্রধান আসামি ফজলুর রহমানকে পুলিশ গ্রেফতার দেখালেও বাকি আসামিদের এখনো আইনের আওতায় আনতে পারেনি পুলিশ।