গাইবান্ধা সংবাদদাতা : গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার এড়েন্ডাবাড়ি ইউনিয়নের জিগাবাড়ি নিবাসী চিথুলিয়াদিঘর মহিউসসুন্নাহ আলিম মাদরাসার সাবেক শিক্ষক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফুলছড়ি উপজেলার এড়েন্ডাবাড়ি ইউনিয়ন শাখার সাবেক সভাপতি প্রবীণ সদস্য(রুকন) মাওলানা মো. আবদুল খালেক গত ১৫ নভেম্বর শনিবার বিকাল ৪টায় ইন্তিকাল করেছেন (ইন্না ইলাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৮০ বছর।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইস্ট হয়ে শয্যাশায়ী ছিলেন। তিনি ৩ ছেলে ও ৩ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেলেন।

মরহুম আব্দুল খালেকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, সাবেক জেলা আমীর, গাইবান্ধা-০৪(গোবিন্দগঞ্জ) আসনের এমপি প্রার্থী ডা. আব্দুর রহিম সরকার, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও গাইবান্ধা জেলা আমীর, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও গাইবান্ধা-০২ সদর আসনের এমপি প্রার্থী জনাব মো. আব্দুল করিম, জেলা নায়বে আমীর, গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) আসনের এমপি প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মো: আব্দুল ওয়ারেছ, সুন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও গাইবান্ধা-০১(সুন্দরগঞ্জ) আসনের এমপি প্রার্থী জনাব অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি ও জেলা নির্বাচন পরিচালক মাওলানা জহুরুল হক সরকার, জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও জেলা মিডিয়া বিভাগের পরিচালক সৈয়দ রোকনুজ্জামান, জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও গাইবান্ধা পৌর মেয়র প্রার্থী মো. ফয়সাল কবির রানা, ফুলছড়ি উপজেলা আমীর মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম আকন্দ, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মো. আনিসুর রহমানসহ জেলা ও উপজেলা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্যবৃন্দ। উল্লেখ্য তিনি ১৯৯৩ সালে জামায়াতে ইসলামীর রুকনিয়াতের শপথ গ্রহণ করেন এবং ইউনিয়ন থেকে উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন।

শোকবানী : শোকবানীতে নেতৃবৃন্দ বলেন- “মরহুম মাওলানা আব্দুল খালেকের মৃত্যুতে আমরা একজন ইসলামী আন্দোলনের নিবেদিতপ্রাণ ভাইকে হারালাম। তার চলে যাওয়ায় যে শূন্যতা তৈরী হলো তা সহজে পুরণ হবার নয়। তিনি চরের মরুভূমিতে সবুজ চাষের মতই চরের মানুষের মনেও ইসলামের বীজ বপনের দায়িত্ব পালন করেছেন। মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম দান করুন, আমিন।”

মরহুম আব্দুল খালেকের নামাজে জানাযা গতকাল রোববার তার নিজ গ্রাম জিগাবাড়ি ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।