রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা : ঢাকা- সিলেট মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এ সড়কে চলাচলকারী যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকদের।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) সকাল দশটা থেকে থেমে থেমে যানজট সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যার পরে এ যানজটের তীব্রতা বেড়ে কাঁচপুর থেকে বরপা পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী যানবাহন গুলো উপজেলার তারাব বিশ্ব রোড গোল চত্বরে এসে কিছু যানবাহন তারাব সেতু দিয়ে শীতলক্ষ্যা নদী পার হয়ে ডেমরা- যাত্রাবাড়ী দিয়ে রাজধানীতে প্রবেশ করে। আবার কিছু গাড়ি কাচপুর দিয়ে ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমড়াইল - যাত্রাবাড়ী দিয়ে রাজধানীতে প্রবেশ করে। ফলে দুই দিক দিয়ে রাজধানীতে ঢোকার কারণে মহাসড়কের রূপগঞ্জ অংশে যানবাহন চলাচলের স্বাভাবিক গতি সমন্বিত রাখতে ভূমিকা রাখে। কিন্তু তারাব ব্রিজটি সংস্কারের কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে এ সড়কে চলাচলকারী যানবাহন গুলো কাঁচপুর দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে রাজধানীতে প্রবেশ করছে। এতে যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে। অন্যদিকে তারাব বিশ্বরোড গোলচত্বর থেকে বরাব পর্যন্ত কিছু কিছু খানাখন্দের কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলছে। ফলে সকাল দশটা থেকেই থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যা সন্ধ্যা থেকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়ে সড়কের কাঁচপুর থেকে বরপা পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
আউখাব এলাকার বাসিন্দা আইয়ুব হোসেন বলেন, জরুরি কাজে ঢাকায় যাচ্ছিলাম। যাওয়ার পথে বরপা এসে যানজটে আটকা পড়ি। এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর সেখান থেকে বের হতে পেরেছি।
বাস চালক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, তারাব ব্রিজ বন্ধ হওয়ায় শিমরাইল দিয়ে কাঁচপুর হয়ে আসতে হচ্ছে। কাচপুর থেকে জ্যামে পড়েছি। দেড় ঘন্টায় বরপা এসেছি। এই সড়কে যানজট যেন পিছুই ছাড়ছে না।
মহাসড়ক পার্শ্ববর্তী দোকানদার আকতার মিয়া বলেন, সকাল দশটার পর থেকেই থেমে থেমে যানজট দেখছি। এখন দুপুর গড়িয়ে রাত হয়েছে। আর যানজটও বিস্তৃত হয়ে কাচপুর থেকে বরপা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে।
শিমরইল ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক জুলহাস উদ্দিন বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলো কাচপুর ব্রিজ ও তারাব ব্রিজ হয়ে দুই দিক দিয়ে রাজধানী ঢাকায় প্রবেশ করে। তারাব ব্রিজের সংস্কার কাজের জন্য এ পথ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে তারাব বিশ্বরোড থেকে বরাবো বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত রাস্তায় কিছুটা খানাখন্দ থাকায় যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলাচল করতে পারে না। এতে যানবাহনের চাপ বেড়ে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।তবে মহাসড়ককে যানজট মুক্ত রাখতে হাইওয়ে পুলিশ কাজ করছে