প্রতিনিয়ত চড়া হচ্ছে নিত্যপণ্যের বাজার। এক মাস ধরে ক্রমাগত দাম বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকলেও এবার আটা-ময়দা ও মসুর ডালের বাজারে আরও উর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। এতে সাধারণ ও সীমিত আয়ের মানুষ পড়েছেন বাড়তি চাপে। তবে সবজি, মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। গত শুক্রবার নগরীর রিয়াজউদ্দিন বাজার ও আসকার দিঘীর পাড় কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, খোলা আটার কেজি এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ৮ টাকা। বর্তমানে প্রতিকেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়। প্যাকেটজাত আটা দুই কেজিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৯০ টাকা। খোলা ময়দার কেজি এখন ৫৫ টাকা, আর প্যাকেটজাত দুই কেজি ময়দা বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। বিক্রেতাদের দাবি, গম আমদানি কম হওয়ায় সরবরাহকারীরা দাম বাড়িয়েছেন। মসুর ডালের দামেও হঠাৎ উল্লম্ফন ঘটেছে। ছোট দানার মসুর ডাল এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৩০ টাকা বেড়ে কেজিপ্রতি ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোটা দানার মসুর ডাল ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় মিলছে। খাতুনগঞ্জের আড়তদাররা জানান, প্রায় আট মাস পর আমদানি ঘাটতির কারণে মসুর ডালের বাজারে এমন ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। সবজি বাজারে তেমন ওঠানামা হয়নি। কাঁকরোল, ঝিঙা, পটল, ঢ্যাঁড়স, করলা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৯০ থেকে ১০০ টাকায়। বরবটি ১২০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং টমেটো ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। আলুর দাম মানভেদে ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। মুরগি ও মাংসের বাজারেও স্থিতাবস্থা বিরাজ করছে। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায়, সোনালি ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬০০ টাকার বেশি দরে। গরুর মাংস ৮৫০ থেকে ৯৫০ টাকা, খাসি ১২০০ থেকে ১২৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ডিমের মধ্যে ব্রয়লার মুরগির ডজন ১৫০ টাকা, দেশি ডিম ২৪০ টাকা ও হাঁসের ডিম ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।মাছের বাজারে বিশেষ পরিবর্তন নেই।