গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন ভিসি মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। বৃহস্পতিবার এক অভিনন্দন বার্তায় ভিসি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে আপসহীন অগ্রসেনানী হিসেবে তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থেকেও দূরদর্শী ও উদ্ভাবনী রাজনৈতিক দর্শনের মাধ্যমে জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন।

বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর সুযোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে তারেক রহমান আজ দেশের অদম্য অগ্রযাত্রায় প্রকৃত রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তাঁর প্রজ্ঞা, নিষ্ঠা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতায় বাংলাদেশ পুনরায় গণতান্ত্রিক পথে সগৌরবে যাত্রা শুরুর সুযোগ পেয়েছে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ভিসি আরও বলেন, নতুন সরকারের অভিযাত্রায় বলিষ্ঠ নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনার মাধ্যমে আইনের শাসন, বাকস্বাধীনতা ও সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার স্থায়ীভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে নতুন মাইলফলক ছুঁবে-এমন প্রত্যাশা জানিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন।

গাকৃবি শিক্ষক সমিতির অভিনন্দন : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬-এ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উত্তরণে দেশ এগিয়ে যাওয়ায় গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি) শিক্ষক সমিতি সন্তোষ ও আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি শিক্ষক সমিতির ২০২৬ সালের কার্যনির্বাহী কমিটির প্রথম সভায় গৃহীত এক অভিনন্দন বার্তায় নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও নতুন মন্ত্রিসভার সব সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

বার্তায় শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, জনগণের রায়ে গঠিত নতুন সরকার দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও শক্তিশালী করবে এবং শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে-এটাই সবার প্রত্যাশা। তারা আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ভূলুণ্ঠিত গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হবে, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পাশাপাশি দেশব্যাপী সুশাসনের পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল আলম বলেন, নতুন সরকার শিক্ষা ও গবেষণাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন, একাডেমিক স্বাধীনতা ও গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ালে তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা বিকশিত হবে এবং কর্মসংস্থানমুখী, দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিক্ষক সমিতির সভাপতি, প্রফেসর ড. নাসরীন আক্তার আইভী বলেন, গণরায়ের মাধ্যমে গঠিত নতুন সরকার দেশের উন্নয়ন ও কল্যাণে ইতিবাচক অধ্যায় সূচনা করবে, শিক্ষা ও গবেষণাকে জাতীয় অগ্রাধিকারের কেন্দ্রে রেখে ন্যায়, সাম্য ও মানবিক মূল্যবোধভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

গাকৃবি শিক্ষক সমিতি মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে জন-আকাঙ্ক্ষা পূরণে নতুন মন্ত্রিসভার অগ্রণী ভূমিকা প্রত্যাশা করে এবং নবগঠিত সরকারের সার্বিক সফলতা, স্থিতিশীলতা ও কল্যাণমুখী কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।