সোনাগাজী (ফেনী) সংবাদদাতা

দায়িত্ব এবং জবাবদিহিতার মানসিকতা নিয়ে আমি জনসভা করব বলে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডাক্তার ফখরুদ্দিন মানিক সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।

গতকাল শনিবার সকালে সোনাগাজী পৌরশহরের হারবিকাবাব রেস্টুরেন্টে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

গণমাধ্যম কর্মীদের উদ্দেশ্যে ডাক্তার ফখরুদ্দিন মানিক আরো বলেন, আপনারা জাতির বিবেক, আপনাদের কাছে সত্যও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ জাতি প্রত্যাশা করে। সকল ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনারা সত্য সংবাদ জাতির সামনে তুলে ধরবেন। প্রতি মুহূর্তে এটাই জাতির প্রত্যাশা। সোনাগাজীর যে সমস্যাগুলো রয়েছে, প্রতিটি সমস্যা, আমি আমার নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করেছি। আপনাদের ভোটে যদি আমি নির্বাচিত হই, সেই সব সমস্যাগুলোকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সমাধান করার চেষ্টা করব। তিনি বলেন, ৫ই আগস্ট আমাদের যে ভাইয়েরা জীবন দিয়েছে, পরিবর্তনের জন্য, আমরা সেই পরিবর্তন হ্যা’ ভোটের মাধ্যমে জয়যুক্ত করে, দেশে রাজনীতির, সংস্কৃতির ক্ষেত্রে, আমূল পরিবর্তন আনব। নির্ভয়ে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করবেন। ভয়-ভীতির যে প্যাসিজম আমাদের সমাজ ব্যবস্থায় কায়েম ছিল, সেটি ৫ই আগস্ট স্বৈরশাসককে পালিয়ে যেতে বাধ্য করার মধ্য দিয়ে, সেই ভয়-ভীতির দিন শেষ হয়ে গেছে। নতুন বাংলাদেশ আমরা আর কোন প্যাসিজম দেখতে চাই না।

তিনি আরো বলেন, আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি দাঁড়িপাল্লার প্রতীক যদি নির্বাচিত হয়, তাহলে দায়িত্ব এবং জবাবদিহিতার মানসিকতা নিয়ে আমি জনসভা করব। আপনাদের পাশে থাকব। সোনাগাজী এবং দাগনভূঞা কে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ মুক্ত শান্তির জনপদে রূপান্তরিত করব।

সোনাগাজী উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে উক্ত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন, ফেনী জেলা জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুর রহিম, ফেনী-৩, সংসদীয় আসনের সোনাগাজী উপজেলার নির্বাচনী সমন্বয়ক ইঞ্জিনিয়ার ফখরুদ্দিন, জেলা জামায়াতের কর্ম পরিষদ সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক মানিক, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সহ সংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা হাফেজ এনামুল হক মুসা, খেলাফতে মজলিসের সোনাগাজী উপজেলা সভাপতি মাওলানা আব্দুর রহমান, নাগরিক পার্টি এনসিপির সোনাগাজী উপজেলা আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন, এবি পার্টির সোনাগাজী উপজেলা সদস্য সচিব ওয়াসিউর রহমান খসরু, সোনাগাজী পৌর জামাতের আমির মাওলানা কালিমুল্লাহ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি মাস্টার এস এম বদরুদ্দোজা, পৌর জামাতের সেক্রেটারি মহসিন ভূঁইয়া প্রমুখ।

কওমি আলেম মুফতি

(১২-এর পৃ: ৮-এর ক: পর)

মহানগরীর নেতৃবৃন্দ।

জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করে মুফতি আব্দুর রহমান রাহমানী বলেন, তিনি ইতোপূর্বে কোনো সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তবে তিনি দ্বীন কায়েমের জন্য দীর্ঘদিন ধরে চিন্তা করছেন এমন একটি সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবেন যেখানে দ্বীন কায়েমের আন্দোলনে নিজেকে শামিল করা যাবে। সেজন্য তিনি মুফতি নুরুজ্জামান নোমানীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেছেন। পরবর্তীতে তিনি নিজের চিন্তাভাবনা ও বাস্তবতার আলোকে বুঝতে পারচেন জামায়াতে ইসলামী এমন একটি সংগঠন যেখানে হাদীসের ভাষ্য অনুযায়ী একে-অপরের ব্যর্থায় ব্যথিত হতে হয়। যেটি জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে বিদ্যমান। কিন্তু কওমি মাদরাসা আঙ্গণে যেই সংগঠন গুলো আছে সেগুলো অনেকটা ভূঁইফোড় সংগঠনের মতো।