মোঃ খায়রুল ইসলাম, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা : ফুটপাত সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের। এই ফুটপাতের প্রায় পুরোটাই দখল করে বসানো হয়েছে বিভিন্ন ধরনের দোকান। এসব দোকান থেকে রসিদের মাধ্যমে, আবার কোথাও রসিদ ছাড়া টাকা আদায় করছে পৌরসভা। রসিদের ওপর লেখা টোল আদায়। ইংরেজি ‘টোল’ শব্দের অনেক অর্থের মধ্যে বাংলায় একটি হলো পথশুল্ক। ফুটপাত দখল করা অবৈধ দোকানগুলো পথশুল্ক আদায়ের মাধ্যমে পাচ্ছে বৈধতা। পৌরবাসী ও পথচারীদের ভোগান্তির কথা না ভেবে টাকা নিয়ে দখলদারদের বৈধতা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ। এ চিত্র টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌর এলাকার।
টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সোহেল মাহমুদ জানান, সড়ক ও জনপথের জায়গা থেকে পৌরসভা কখনও পথশুল্ক আদায় করতে পারে না। টাকার বিনিময়ে অবৈধ ফুটপাত দখলদারদের বৈধতা দেওয়ার এখতিয়ার পৌরসভার নেই। ঘাটাইল কলেজ মোড়ে বৃষ্টির পানিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি ও মানুষের ভোগান্তির কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘স্থানীয়রা সড়কের দুই পাশে মাটি দিয়ে উঁচু করে রাখায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এই মুহূর্তে ড্রেইন নির্মাণের কোনো প্রকল্প আমাদের নেই।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঘাটাইল পৌরসভার প্রশাসক আবু সাঈদের ভাষ্য, পৌর কর্তৃপক্ষের এরিয়ায় স্থায়ী বা অস্থায়ী সব হাট বাজারে স্থায়ী ইজারাদার না পেলে খাস আদায় করতে পারবে। ফুটপাতের দোকান থেকে টোল আদায় করা যায় কিনা?
এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ফুটপাত নাগরিকের চলাচলের জন্য, বাজারের জন্য নয়। তাঁর দাবি, পৌর কর্তৃপক্ষ খাস আদায় করছে রসিদের মাধ্যমে। রসিদ ব্যতীত খাস আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। এমন কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট স্টাফের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সড়ক বিভাগের কোনো জায়গায় সড়ক বিভাগ যদি উচ্ছেদ অভিযান চালাতে চায়, সে ক্ষেত্রে পৌর কর্তৃপক্ষ তাদের সহযোগিতা করবে।