পিরোজপুর সংবাদদাতা

আমরা পিরোজপুরে শান্তি সমৃদ্ধি সম্প্রীতির রাজনীতি করতে চাই। আমরা ৫ তারিখের পর থেকে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বাস করছি। আমরা চাই যতদিন বেঁচে আছি এই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ অক্ষুণœ থাকবে। এজন্য প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের দায়িত্বশীলদের দায়িত্ব রয়েছে। এর জন্য কর্মীদের শুধু দায়ী করলে হবে না নেতৃবৃন্দকেও ভূমিকা রাখতে হবে। অতীতের স্বৈরাচারী আমলে আমরা একত্রে বসতে পারতাম না। আমরা জেলখানায় একত্রে থেকেছি। তখন ঐ আমাদের মাঝে অনেক সৌভাগ্য সম্প্রীতি ছিল। আমরা ট্যাগিংয়ের রাজনীতি বন্ধ করতে চাই, আমরা দায় চাপিয়ে দেয়ার রাজনীতি বন্ধ করতে চাই। এসময় তিনি বলেন, পিরোজপুরের রাস্তাঘাট, হাসপাতাল, শিক্ষা ব্যবস্থা, চিকিৎসার উন্নয়ন করব ইনশাআল্লাহ। গতকাল শনিবার দুপুরে পিরোজপুর শহরের গোপালকৃষ্ণ টাউন ক্লাব চত্বরের স্বাধীনতা মঞ্চে সুজন পিরোজপুর জেলা কমিটির আয়োজনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাসুদ সাঈদী উপরোক্ত কথা বলেন। অনুষ্ঠানে আরো অংশ নেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন।

মাসুদ সাঈদী বলেন, আমাকে যদি আল্লাহ দয়া করে পিরোজপুরবাসীর খেদমত করার সুযোগ দেন তাহলে আমি পিরোজপুরে রাস্তাঘাট, হাসপাতাল, শিক্ষা ব্যবস্থা চিকিৎসার উন্নয়ন করব, শহরের পাশ করার চারপাশে স্থায়ী বাধ নির্মাণ করে বন্যা-দুর্যোগ থেকে মানুষের জান মালের হেফাজত করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।

“একটি রাষ্ট্রে নাগরিকের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদ নেই” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীদের নিয়ে জনগণের মুখোমুখি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।

সুজন পিরোজপুর জেলা কমিটির সভাপতি মুনিরুজ্জামান নাসিম আলীর সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সুজন খুলনা বিভাগের সমন্বয়ক মাসুদুর রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম কিসমত, জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জহিরুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির সদস্য সচিব আল আমিন খানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠান শেষে দুই সংসদ সদস্য প্রার্থী হাত ধরে সম্প্রীতির শপথ নেন।

জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলমগীর হোসেন দলীয় ২১ দফা ঘোষণা সহ পিরোজপুর উন্নয়নমূলক তার বিভিন্ন অঙ্গীকার মূলক বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। এ সময় উপস্থিত সাধারণ জনগণ প্রার্থীদের কাছে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন করেন এবং প্রার্থীরা সেসব প্রশ্নের উত্তর দেন। ‎অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে দুই প্রার্থী ও উপস্থিত জনগণ একে অপরের হাত ধরে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের শপথ নেন, যা অনুষ্ঠানে এক ইতিবাচক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি করে।