ভোলাহাট (চাঁপাইনববাগঞ্জ) সংবাদদাতা: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলায় দিনে দুপুরে বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের রোপিত বনজ গাছ কেটে উজাড় হলেও কতৃপক্ষ থানায় মামলা না করে জিডি করে দায় এড়িয়ে চলছেন রহস্যজনক কারণে। এলাকায় গাছখেকোদের নাম মুখে মুখে থাকলেও আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেন না বিএমডিএ কতৃপক্ষ।

উপজেলার জামবাড়ীয়া কলেজের পাশে ভোলাহাট শিবগঞ্জ সড়কে সম্প্রতি দিনেদুপুরে অর্ধলক্ষাধিক টাকা মূল্যের বনজ শিশু গাছ ট্রলিতে উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এমন সময় ধারন পথচারীরা ধারণ করেন ভিডিও। ঘুরে বেড়াতে শুর¤œ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। ভিডিও দেখে নিজের গা বাঁচাতে থানায় জিডি করেন ভোলাহাট বরেন্দ্র উন্নয়ন জোনের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ লোকমান হাকিম।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কিছু ব্যক্তি অভিযোগ করেন অর্ধলক্ষাধিক টাকার শিশু গাছটি বিএমডিএ কতৃপক্ষের যোগসাজশ না থাকলে দিনেদুপুরে কাটার সাহস কোথায় পায়। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার জামবাড়ীয়া ইউনিয়নের ছোট জামবাড়ীয়া গ্রামের মোঃ মীর চাঁদের ছেলে ৫২ নম্বর গভীর নলকূপের অপারেটর প্রভাবশালী মোঃ মোশারফ হোসেন নয়ন দিনেদুপুরে জনবহুল সড়কের পাশ থেকে কি করে গাছ কাটার সাহস হয় এমন প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে নয়নের বাবা মীর চাঁদ দীর্ঘদিন ধরে বরেন্দ্র অফিসে যোগাযোগ থাকায় গড়ে উঠেছে সখ্যতা। গাছ কাটার সাথে জড়িত নয়নের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে নিজের গা বাঁচানোর জন্য ভোলাহাট থানায় জিডি করেছেন বিএমডিএ কতৃপক্ষ।

এ ব্যাপারে সহকারী প্রকৌশলী মোঃ লোকমান হাকিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভোলাহাট থানায় জিডি করা হয়েছে। কেউ যদি গাছ কাটার সাথে জড়িতদের নাম বলেন তবে তার সহি স্বাক্ষর নিয়ে ব্যবস্থা নিবেন বলে দায়সারা বক্তব্য দেন। তবে কে বা কারা গাছ কেটেছে এটা তিনি জানেন না বলে জানান।