ঠাকুরগাঁও জামায়াতে ইসলামীর আমীরকে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী কর্তৃক আটক করার ঘটনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাড়াবাড়ি আর মিডিয়া ট্রায়াল ছাড়া আর কিছুই না। ঢাকায় হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমস কর্তৃক ছাড়পত্র দেওয়া এবং নির্বাচন কমিশন সচিবের অনাপত্তি দেওয়ার পর যা প্রমাণিত হয় তা হলো বাড়াবাড়ি। এই ঘটনাকে সাজানো নাটক বলে আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেন, ঠাকুরগাঁও জামায়াত আমীর একজন ব্যবসায়ী। এয়ারপোর্টের মতো একটা সিকিউর জায়গায় এ ধরনের ঘটনা সাজানো। জামায়াতে ইসলামীকে বিতর্কিত করার জন্য এ ধরনের অপপ্রয়াস চালানো হয়েছে। নির্বাচনী কাজে যুক্ত ব্যক্তিবর্গ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশ করে জুবায়ের বলেন, ‘কোনো অবস্থায় আপনারা আপনাদের নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে সরবেন না। আপনারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। কোন অবস্থায় যদি আপনারা এই ধরনের একপেশে ভূমিকা পালন করেন, তাহলে জনগণ আপনাদেরকে ছেড়ে দেবে না। জনতার আদালতে আপনাকে দাঁড়াতে হবে।

গতকাল বুধবার দুপুরে মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এসব কথা জানান। তিনি বলেন, তাকে আটকের পর মানসিকভাবে নির্যাতন করায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অবিলম্বে তার মুক্তি ও চিকিৎসাব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে নির্বাচনের আগে এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাজে জড়িত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

জুবায়ের বলেন, তিনি (জেলা আমীর) নিজেই স্পষ্ট করেছেন যে, ব্যাংক বন্ধ থাকায় লেনদেনের জন্য তার সঙ্গে কিছু নগদ টাকা ছিল। এটা খুবই স্বাভাবিক যে, তিনি ব্যবসা করেন, নিজের, পরিবার বা অন্য প্রয়োজনে এটা তিনি বহন করতে পারেন। এটা কোনো ক্রিমিনাল অপরাধ নয়। অথচ এটা নিয়ে নাটক সাজানো হচ্ছে এবং বিভিন্ন মিডিয়ায় নানা ধরনের সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, জামায়াত তার কর্মকা- ও কর্মসূচি অত্যন্ত স্বচ্ছতার ভিত্তিতে করে থাকে। অথচ জামায়াতের বিপুল জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়ে বিতর্কিত করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশের যোগসাজশে এ ধরনের অপপ্রয়াস একের পর এক ঘটানো হচ্ছে।

এর আগে জামায়াত আমীরের মেহেরপুর সফরের সময় জেলা আমীরের গাড়িতে অস্ত্রসহ আটকের নাটক সাজানো হয়। অথচ এক ঘণ্টা পর তা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আটককৃতদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, অতীতে ফ্যাসিবাদীরা এ ধরনের আচরণ করত। এখন নির্বাচন বানচালের জন্য নতুন করে কেউ ফ্যাসিবাদী আচরণ করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে তা মোকাবিলা করা হবে।

এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াতের প্রার্থী ও তাদের সঙ্গীদের গাড়িতে হামলা, গাড়ি ভাঙচুর এবং অনেককে আহত করা হয়েছে। নারী কর্মীদের ওপর বাধা ও হামলা চালানো হচ্ছে। এসব কর্মকা-ে মনে হচ্ছে, প্রশাসনের একটি অংশ যেকোনো কারণেই হোক একটি দলের দিকে হেলে পড়েছে। অতীতে যারা এ ধরনের কাজ করেছে, তাদের জনগণ লাল কার্ড দেখিয়েছে। নতুন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এ ধরনের পক্ষপাতমূলক কাজ করলে তাদের জনরোষে পড়তে হতে পারে। তাদের নিরপেক্ষভাবে ভূমিকা পালনের জন্য আহ্বান জানান জামায়াত নেতা এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

প্রেস ব্রিফিং জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল হালিম, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য অলিউল্লাহ নোমানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এহসানুল মাহবুব জোবায়ের বলেন, এক দল সন্ত্রাসী শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করছে। জনগণ যেন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট কেন্দ্রে আসতে না পারে সে চক্রান্ত হচ্ছে। গতকাল আমাদের আমিরের আসনে নির্বাচনি বুথ ভেঙে ফেলছে। এছাড়া সারাদেশেই আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা ঘটছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে আমাদের এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে, হামলা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন এহসানুল মাহবুব জোবায়ের। তিনি বলেন, আমাদের মনে হচ্ছে প্রশাসনের একটা অংশ একটা দলের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো আশঙ্কা করছেন কি নাÑএমন প্রশ্নের জবাবে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, মনে হচ্ছে যে একদল লোকের এ ধরনের কিছু করার হীন একটা প্রয়াস আছে। তিনি বলেন, ‘আমরা এগুলো থেকে তাদের বেরিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। জুবায়ের আরও বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীকে এবং আমাদের সাথে যে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য আছে, তাদের সামগ্রিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য নির্বাচনকে সামনে রেখে একদল লোক, একটি দল, এই কাজগুলো করছেন। আমরা মনে করি যে এটা সুস্থ রাজনীতি নয়। সামনে যদি কেউ এই ধরনের ফ্যাসিবাদী আচরণ করে, বিভিন্ন ধরনের নাটক সাজিয়ে নির্বাচনকে বানচাল করার চেষ্টা করে, তাহলে জনগণ এটাকে ছাড় দেবে না। আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে এটাকে মোকাবিলা করব।

নির্বাচনের আগের দিন এতগুলো টাকা নিয়ে একটা দলের দায়িত্বশীল কেউ চলাচল করতে পারেন কিনাÑএমন প্রশ্নের জবাবে জুবায়ের বলেন, ‘তিনি মনে করেছেন যে তার জন্য এটা সেফ (নিরাপদ)। তিনি এটা করতেই পারেন। তিনি তো কোনো অন্যায় করেন নাই। কোনো ক্রিমিনাল অফেন্স করেন নাই। সংবাদ সম্মেলনের আগে দুপুর ২টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জামায়াত আমীর শফিকুর রহমান বলেন, ‘জাতি যখন একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত, তখন কেউ কেউ দেশে বিভিন্ন ধরনের অপতথ্য ছড়াচ্ছে।

নির্বাচন কমিশন সচিবের বক্তব্য

ভোটের সময় টাকা বহনের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, টাকার উৎস ও ব্যবহারের বৈধতা প্রমাণ করা গেলে ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও কোনো সমস্যা নেই। বুধবার ভোটের সময় টাকা পরিবহনের সীমা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে একটি গণমাধ্যমকে এ কথা জানান ইসি সচিব।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমীর বেলাল উদ্দিন প্রধানকে ৫০ লাখ টাকাসহ আটক করে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থানা পুলিশ। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ভোটের সময় একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ কত টাকা বহন করতে পারবেনÑ এমন প্রশ্ন ওঠে। জবাবে আখতার আহমেদ বলেন, টাকা বৈধ হলে এবং এর উৎস যথাযথভাবে দেখানো গেলে বহনের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। ব্যক্তিগত প্রয়োজনে যে কেউ প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ বহন করতে পারবেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, ওই অর্থ যদি ভোটে প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, তাহলে বিষয়টি দেখবে ‘নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি’। আর টাকার উৎস অবৈধ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

টাকা বহনে অনাপত্তি দিয়েছিল কাস্টমস :

ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর বেলাল উদ্দিনকে টাকা বহনের ব্যাপারে ঢাকার কাস্টমস কর্তৃপক্ষ অনাপত্তি দিয়েছিল। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগীব সামাদ বলেন, বিষয়টি বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে অবগত করলে তারা এতে অনাপত্তি জানায়। এছাড়া অভ্যন্তরীণ রুটে অর্থ পরিবহনে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।

উত্তপ্ত ঠাকুরগাঁও

ঢাকা থেকে ফেরার পথে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নগদ টাকাসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমীর বেলাল উদ্দিন প্রধানকে আটকের ঘটনাকে ‘দুরভিসন্ধিমূলক, হয়রানি ও গভীর ষড়যন্ত্র’ বলে দাবি করেছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন। এদিন ঠাকুরগাঁও শহরের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে দেলোয়ার হোসেন বলেন, আটককৃত বেলাল উদ্দিন প্রধান একজন শিক্ষক ও ব্যবসায়ী। তিনি ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক কাজেই ঢাকা গিয়েছিলেন। তার সঙ্গে থাকা টাকাগুলো সম্পূর্ণ বৈধ এবং ব্যবসায়িক লেনদেনের অংশ। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো কঠোর নিরাপত্তা ও চেকিং পার হয়ে তিনি বিমানে উঠেছেন। সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে বৈধতা দিয়েছেন বলেই তিনি আসতে পেরেছেন। কিন্তু সৈয়দপুরে নামার পর তাকে পুনরায় আটক করা স্পষ্টতই একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।

জামায়াত প্রার্থী আরও বলেন, নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে ব্যাংক বন্ধ থাকায় ব্যবসায়িক প্রয়োজনে নগদ টাকা বহন করা ছাড়া উনার কোনো উপায় ছিল না। তাছাড়া তিনি কোনো টাকা বিতরণ করতে গিয়ে ধরা পড়েননি। একজন ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত টাকা বিমানে আনবেন না বাসে আনবেন, তা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিগত বিষয়। দেলোয়ার হোসেন জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ওই শিক্ষকের (জেলা আমীর) বাসায় গিয়ে পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন। ঠাকুরগাঁওয়ে তার সোনামণি নামে একটি গার্মেন্টস ব্যবসা রয়েছে এবং ওই টাকা ব্যবসারই অংশ। এ সময় তিনি দাবি করেন, ওই টাকার সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি অবিলম্বে হয়রানি বন্ধ করে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আটককৃতের মুক্তি দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় জামায়াত নেতারা ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মো: জাকির হোসেন সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা : ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমীর বেলাল উদ্দীন প্রধানকে ব্যবসার বৈধ টাকা নিয়ে ঢাকা থেকে আসার পথে তাকে আটকের এই ঘটনা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে নগদ টাকা বহন করা বেআইনী হলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে আটক করা হয়নি কেন? বিমানবন্দরের সিসি টিভি ফুটেজ মিডিয়াকে সরবরাহ করা হলো কেন? এমন প্রশ্ন তুলে ঘটনাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলেছেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ। সম্পূর্ণ মিডিয়া ক্যু হিসেবে এর প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তারা।

ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. আলমগীর হোসেন অভিযোগ করেন যে, আটকের কারণ সম্পর্কে প্রশাসন সুস্পষ্ট কোন তথ্য বা বিবৃতি না দেয়ার পরও মিডিয়ায় ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মূলত: একটা রাজনৈতিক দলের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। তিনি আরও বলেন, জেলা আমীরকে বহনকারী ফ্লাইট সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছার আগেই সেখানে বিভিন্ন মিডিয়া ও রাজনৈতিক দলটির অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত হয়েছিলেন। বিএনপির সদস্য সচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নির্দেশে নীলফামারীর একজন মিডিয়া মালিক শিল্পপতির মাধ্যমে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে জামায়াতের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা এটি।

জেলা আমীর বেলাল উদ্দীন প্রধানের স্ত্রী সাহেদা বানু জানান, ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীাপাড়া স্টেডিয়াম রোডে সোনামনী ড্রেস হাউস নামে আমাদের গার্মেন্টস ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। এই প্রতিষ্ঠানের জন্য ডৈরী পোষাক সামগ্রী কেনার জন্যই আমার স্বামী মঙ্গলবার বাদ মাগরিব ঢাকায় গেছেন।

কিন্তু নির্বাচনের কারণে পাইকারী পোষাক বিক্রিকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় মালামাল কিনতে না পেরে ব্যবসার বৈধ টাকা নিয়েই তিনি বিমানযোগে ফিরছিলেন। এখানে তাকে আটক করা সম্পূর্ণ আইন বিরোধী কাজ করেছে প্রশাসন। মূলতঃ প্রতিহিংসা বশতঃ তাকে হেনস্তা করতে এটা সাজানো নাটক।