খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর নিশাত কমপ্লেক্সের জুয়েলারি ব্যবসায়ী ও শুভ জুয়েলার্সের মালিক সুব্রত অধিকারী (৫২) এবং তার পুত্র খুলনা পাবলিক কলেজের নবম শ্রেণীর ছাত্র রিজু অধিকারীকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। ছেলে রিজু অধিকারীর অবস্থা গুরুতর। বর্তমানে সে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় নিশাত কমপ্লেক্সসহ দৌলতপুর জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভয় এবং আতঙ্ক বিরাজ করছে।
আহত সুব্রত অধিকারী মুঠোফোনে বলেন, বুধবার দিবাগত রাত ১২ টার কিছু সময় পর দোকান বন্ধ করে স্ত্রী এবং ছেলেকে নিয়ে স্কুটি’তে করে পাবলা নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হই। পথিমধ্যে দৌলতপুর (দিবা /নৈশ্য) কলেজ সংলগ্ন শরীফ আমজাদ সড়কে পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেলে তিনজন স্কুটি’র সামনে এসে বলে আপনাদের টাকা পড়ে গেছে। আরেকটি মোটরসাইকেলে তিনজন স্কুটি’র পিছনে অবস্থান নেয়। এ সময় স্কুটি সেখানে থামা মাত্র দুর্বৃত্তরা আমাকে এবং ছেলেকে কোপাতে থাকে। স্ত্রীসহ আমাদের আত্মচিৎকারে স্থানীয় লোকজন এসে আমাদেরকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। ছেলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করেছি। তার হাতের শিরার রক্তনালী কেটে গেছে। তাকে অপারেশন করা হয়েছে। আমার পিঠে কোপ লেগেছে। দৌলতপুর থানা অফিসার ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মনে হ”েছ এটি কোন ছিনতাইয়ের ঘটনা নয়। টাকা পয়সা কিংবা তাদের কাছে থাকা মালামাল কিছুই নেয়নি। দুইটি মোটরসাইকেলে ৬ জন ছিল। তাদের মুখে মাস্ক ছিল। পূর্ব শত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। আশেপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি। আশা করি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব’। এদিকে বুধবার রাতে এ ঘটনার পর থেকে নিশাত কমপ্লেক্সের জুয়েলারি ব্যবসায়ীসহ দৌলতপুরের জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভয় এবং আতঙ্ক বিরাজ করছে।