লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে মাছ ধরা বন্ধে পরিচালিত অভিযানে ২০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়।
মো. মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী-এর নেতৃত্বে সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এ সময় সহযোগিতা করে নৌ পুলিশ মজুচৌধুরীর ফাঁড়ি।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, সকালে লক্ষ্মীপুর অংশের মেঘনা নদীতে তল্লাশি চালানো হলেও কোনো জেলেকে মাছ ধরতে দেখা যায়নি। পরে জেলার সীমানা সংলগ্ন এলাকায় ভোলা দিক থেকে একটি মাছ ধরার ডিঙি নৌকা লক্ষ্মীপুরের সীমানার দিকে আসতে দেখা যায়। নৌকাটি লক্ষ্মীপুরের জলসীমায় প্রবেশ করলে তা আটক করা হয়।
এ সময় নৌকা থেকে ২০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকা। জালগুলো শুকনো অবস্থায় ছিল। নৌকায় চার থেকে পাঁচ দিন আগে ধরা লবণ দেওয়া ইলিশ মাছও পাওয়া যায়।
আটক জেলে দাবি করেন, তিনি ভোলায় বোনের বাড়িতে গিয়েছিলেন এবং লক্ষ্মীপুরের দিকে ফিরছিলেন। এর আগে ভোলার মৎস্য কর্মকর্তারা তাকে আটক করলেও বিস্তারিত জানার পর ছেড়ে দেন বলে তিনি জানান।
তবে অভিযানের নেতৃত্বে থাকা কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “মেঘনা নদীতে অভিযানের সময় কোনো প্রকার মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আইন অমান্য করে কেউ মাছ ধরার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” জব্দ করা জাল পরবর্তীতে কোস্টগার্ডের সামনে আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয়।