অতি সম্প্রতি ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে এ বছরের (১৪৪৭ হিজরি) পবিত্র রমযানের সাহরী ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে, যা দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তবে কিছু গণমাধ্যমে সাহরী ও ইফতারের সময়সূচি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করেছে। কিছু গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে যে,
“ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, সাহরী ও ইফতারের এই সময় মূলত ঢাকা জেলা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য প্রযোজ্য। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষ ভৌগোলিক অবস্থান ও দূরত্ব অনুযায়ী ঢাকার সময়ে সঙ্গে সর্বোচ্চ ৯ মিনিট পর্যন্ত যোগ করে অথবা ৯ মিনিট পর্যন্ত বিয়োগ করে সাহরী ও ইফতার করবেন।”
এ বক্তব্যটি সম্পূর্ণ ভুল ও ভিত্তিহীন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এ ধরনের বক্তব্য বা তথ্য প্রদান করেননি। প্রকৃতপক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এ বছর ৬৪ জেলার জন্য পৃথক সাহরী ও ইফতারের সময়সূচি প্রস্তুত করেছে। ঢাকার সময়ের সাথে কোনো সময় বা মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে সাহরী ও ইফতারের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়নি। প্রত্যেক জেলার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন যে সময়সূচি নির্ধারণ করেছে তা অনুসরণ করবে ওই এলাকার রোজাদারগণ।
এ বিষয়ে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব এবং সাহরী ও ইফতার সময়সূচি প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক মুফতী আবদুল মালেক বলেন, অন্যান্য জেলার মানুষ ঢাকা জেলার সময়সূচির সঙ্গে কোনো মিনিট যোগ বা বিয়োগ করে নয়; বরং প্রত্যেক এলাকার মানুষ তার জেলার জন্য প্রণীত ও প্রকাশিত সময়সূচি অনুসরণ করবেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি।